সুশান্তের সঙ্গে প্রথম দেখাতেই আত্মহত্যা নিয়ে কথা হয়েছিল আয়েশা কাপুর আদলখার। আয়শা সুশান্তের বাড়িতে গিয়েছিলে। সেখানেই বারান্দাতে দাঁড়িয়ে প্রথম সুশান্ত বলেন এখান থেকে 
ঝাঁপ দিলে বিষয়টা কেমন হবে! সেখান থেকেই শুরু আয়শার সঙ্গে সুশান্তের এক অন্য ধরনের সম্পর্ক। জীবন, জীবনের মূল্য, গুরুত্ব সব কিছুই উঠে আসতে থাকে ,তাঁদের আলোচনায়। সেই থেকেই শুরু। 

আরও পড়ুনঃ প্রেমিকার সঙ্গে ছবি স্বাক্ষর করেছিলেন সুশান্ত, রিল-রিয়েল লাইফ রোম্যান্স অপূর্ণই থেকে গেল

সুশান্তের মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সুশান্তকে ঘিরে দীর্ঘ পোস্ট করে খোলসা করলেন আয়শা। লিখলেন, সুশান্ত. বন্ধু হিসেবে খুব ভাসো ছিল না। খুব একটা ফোনা করা, বা গল্প করার পক্ষপাতী সুশান্ত সিং রাজপুত নন। তাই প্রায়সই যোগাযোগ হয় এমনটা নয়। কিন্তু যখনই আয়শার সঙ্গে তাঁর দেখা হত, ভিড়ের মাঝেও আলাদা হয়ে যেতেন তাঁরা। কথার বিষয় থাকত সেই একই জীবন-মৃত্যু। পোস্টে আয়শা আক্ষেপ করে লেখেন, তিনি যদি তখনও বুঝতেন বা প্রয়োজনে যদি সুশান্তের পাশে দাঁড়ানো যেত, তবে আজ তিনি সকলের মধ্যে থাকতেন। 

 

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

The very FIRST time I met him was at his Bandra house and we spoke about suicide. I remember us looking down from his balcony which was quite a few stories up and he asked what it would feel like if we jumped. It catapulted us into a conversation about the value of life, the need for thrill, the purpose of existence- stuff I've loved since I was a teenager. It was an enthralling conversation, we laughed, we drank and I went back home with my friends. ⁣ ⁣ After that night, everytime we would hang out, we would find ourselves cornering away from the crowd and delving deep into an existential conversation. There would be some spiritual question or dilemma plagueing him that would get my gears going. He was a refreshing beat amongst my friends in/of the industry and I found our heated arguments and chats characteristic of the curious mind that he had. Of course, we would make fun of each other's appetite for mental masturbation. We'd laugh about our midnight epiphanies and then go our separate ways till we bumped into each other again. ⁣ ⁣ I won't say we were close. But I do feel very confused today. He came across as a self-aware, thoughtful person. He was inquisitive, full of questions but not in a reclusive, dejected way. He was different from all the other jaded famous people I met because he had all this energy and optimism. Never flashy, very respectful. And fun. I recall seeing a #bucketlist he had put out on his feed & thinking it was ambitious to say the least but also very philanthropic, interesting. This picture is from when I dressed up as #ZiggyStardust for my dear friend @aditiyasinghart's birthday and Sushant was one of the few people to recognise my #cosplay & jump into a #DavidBowie rant. He had good taste, I thought he was cool. ⁣ ⁣ I just cannot wrap my head around what's happened. I don't know the words he used in his head. I wish he had a bouncing board to stop him in his tracks. It just goes to show that the strongest, woke-est, most stable individuals can be at-risk mentally. The calmest minds can snap and NOBODY is an island. @sushantsinghrajput was not an island. Some timely help could've prevented this. Ask yourself, do you need to talk?⁣ ⁣

A post shared by Ayesha Kapoor Adlakha (@ayeshaadlakha) on Jun 14, 2020 at 4:33am PDT

 

এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আয়শা স্বীকার করেন, যদি সময় মত সাহায্যে পেতেন সুশান্ত তাহলে তাঁকে আটকে রাখা যেত। আয়শা জানান, 'আমি বলব না আমরা খুব কাছের ছিলাম। কিন্তু আমি খুব অবাক, এমন একজন প্রাণবন্ত মানুষ, এত জ্ঞান যাঁর ভেতরে, তিনি কীভাবে এমন একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন! যত সুপারস্টারের সঙ্গে মিশেছি, সকলের থেকে অনেকটা আলাদা ছিলেন সুশান্ত'। শেষে আয়শা জানান, 'সময় থাকতে নিজেকে জিজ্ঞেস করো, কথা বলার কী প্রয়োজন আছে...'