সদ্য ইংল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বরিস জনসন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ফলে আঁর আয় কমছে বিপুল হারে। এক ব্রিটিশ লগ্নিকারী সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ফলে বছরে প্রায় ৬ লক্ষ ৭০     হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড বা ভারতীয় মুদ্রায় ৫ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার বেশি আয় কমছে নয়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর। যা কিনা নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আয় কমার নিরিখে সকলের থেকে বেশি।

জানা গিয়েছে গত ১২ মাসে বরিসের মোট আয় ছিল ৮,২৯,২৫৫ ব্রিটিশ পাউন্ড অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৭ কোটি টাকারও বেশি। তার মধ্যে ছিল সাংসদ হিসেবে তাঁর প্রাপ্য মাইনে। জনসভায় বক্তব্য রাখার এবং সংবাদরপত্রে কলাম লেখার পারিশ্রমিক এবং তাঁর লেখা বইয়ের রয়্যালটির অর্থ।

কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ফলে এই আয়ের অনেকটাই বাদ যেতে চলেছে। আগামী ১২ মাস তিনি শুধুমাত্র ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাইনেটুকু ছাড়া তাঁর আয়ের অন্য কোনও উৎস থাকবে না। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মাইনে বছরে ১৫০,৪০২ ব্রিটিশ পাউন্ড, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকার কিছু বেশি। ফলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় বছরে তাঁর ৫ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার মতো আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, জানা গিয়েছে, সারা বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীই অন্যতম গরীব। আইসল্যান্ডের থেকেও রাষ্ট্রপ্রধানের থেকেও তাঁর আয় কম। আর এই ক্ষেত্রে সবার উপরে আছেন সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং-এর। তাঁর আয় বছরে ভারতীয় মুদ্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষের কিছু বেশি।

বরিসের আগের দুই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে ও ডেভিড ক্যামেরনকেও তাঁর মতো আর্থিক ক্ষতি স্বীকার করতে হয়নি। মে-এর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে সেই অর্থে কোনও আয় ছিল না বললেই চলে, আর ক্যামেরন কিছু অর্থ বইয়ের রয়্যালটি বাবদ পেতেন, যাও কিনা সমাজসেবার কাজে দান করে দিতেন। ফলে আর্থিক ধাক্কাটা তাঁদের খেতে হয়নি।