US-Israeli attacks on Iran:দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনি মারা গিয়েছেন। সেনাপ্রধান থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, প্রধান উপদেষ্টা সহ বেশিরভাগ পদাধিকারিও মারা গিয়েছেন। হাজারে হাজারে সেনাও শেষ হয়ে গিয়েছে।
US-Israeli attacks on Iran:দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনেই মারা গিয়েছেন। সেনাপ্রধান থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, প্রধান উপদেষ্টা সহ বেশিরভাগ পদাধিকারিও মারা গিয়েছেন। হাজারে হাজারে সেনাও শেষ হয়ে গিয়েছে। বহু সরকারি অফিস, গুরুত্বপূর্ণ দফতর, ব্য়াঙ্ক, অফিস বাড়িও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে-ইজরায়েলের যুদ্ধ হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। এমন অবস্থায় আর যুদ্ধ করা সম্ভব নয় বুঝতে পেরে আত্মসমর্পণের পথে তেহরান! অন্তত দাবি এমনই। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক মেজাজের সামনে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছে ইরান। সামরিক সংঘাতের মাঝেই চমকপ্রদ কূটনৈতিক উদ্যোগের খবর সামনে এসেছে। একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা গোপনে আমেরিকার CIA-র সঙ্গে যোগাযোগ করে যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। দুবাই, দোহা, বাহারিন, সৌদি আরবের ওপর ইরান পাল্টা হামলা করে বড় যুদ্ধ ডেকে এনেছে বলে দাবি।
ইরানের আত্মসমর্পন? খবরে কী প্রকাশ
মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'নিউইয়র্ক টাইমস'-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রকের কিছু কর্মকর্তা তৃতীয় একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে সিআইএ (CIA)-র সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ইরানের ওপর হামলা শুরুর একদিন পরই এই বার্তা পাঠানো হয় বলে জানা গেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধবিরতি এবং সংঘাত থামানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিল। ইজরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরান প্রশাসনের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশটির নেতৃত্বের ওপর চাপ বেড়েছে।
কী বলছে ট্রাম্প প্রশাসন
তবে মার্কিন কর্তারা ইরানের এই প্রস্তাব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, এই মুহূর্তে না আমেরিকা, না ইরান কেউই গুরুত্ব সহকারে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত নয়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাফ জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক হামলার পর ইরানের সঙ্গে আলোচনার সময় পেরিয়ে গিয়েছে।'নিউ ইয়র্ক টাইমস'-এর রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, হামলার আগে ও পরে আমেরিকা ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ছিল। ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থানে নির্দিষ্ট হামলাও চালানো হয়েছে।


