সুদূর ব্রিটেনের সংসদেও উঠল ভারতের কৃষক বিক্ষোভের কথা। আর সেখানেই রীতিমত বিপাকে পড়লেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি বিষয়টিকে ভারত পাকিস্তান ইস্যু বলে বর্ণানা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে শ্রম সাংসদ তানমানজিৎ সিং দেশি ভারতের কৃষক বিক্ষোভের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, বলেন আন্দোলনরত কৃষকদের ওপর পুলিশ জনকামানের ব্যবহার করেছে। কৃষকদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভে বাধা দেওয়া হচ্ছে। দিল্লি সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় জুড়ে কৃষকরা প্রতিবাদ বিক্ষোভে সামিল হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত সম্পর্কে বিট্রেনের আবস্থান কী জানতে চেয়েছিলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানতে চেয়েছিলেন ব্রিটেন কী কোনও বার্তা দেবে ভারতকে। 
 

সাংসদ দেশির সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে ওঠেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি বলেন, আমরা সকলেই জানি ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে  কী কী ঘটছে। তা নিয়ে আমাদের মধ্যে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে। দুটি সরকারকেই বিষয়েটি শান্তিপূর্ণভাবে মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন তিনি জানেন প্রস্তাবটি অবশ্যই গ্রহণ করা হবে। আর প্রধানমন্ত্রীর এই কথা শুনে সাংসদের অবস্থা বেহাল হয়ে যায়। পরবর্তীকালে তাঁর প্রশ্নের পাশাপাশি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বয়ানও তিনি জুড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেযার করেন।   


একই সঙ্গে তিনি একই বার্তাও দেন। তিনি বলেন বিশ্ব দেখছে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক হাজার মানুষ জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর জাতিকে আরও বিব্রত করছেন। প্রধানমন্ত্রী যদি জানতেন তিনি কী সম্পর্কে কথা বলছেন তাহলে এজাতীয় ঘটনা ঘটত না। ব্রিটেনের বিদেশ মন্ত্রক ভারতের কৃষক বিক্ষোভ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছিল, বিষয়টি ভারতের আভ্যন্তরীন বিষয়।