বিমানবন্দরে মাদক পরীক্ষায় সে ব্যর্থ হয়েছিল। তার থেকেই নিরাপত্তাকর্মীদের সন্দেহ হয়েছিল। এরপরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে আরও পরীক্ষার জন্য নিয়ে যেতেই কেঁচো খুড়তে বের হল কেউটে। যার জেরে এখন বিমান বন্দর থেকে সোজা জেলের ঘানি টানতে চলেছে এক ব্রিটিশ যুবক।

ঘটনাটি অবশ্য আজকের নয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রাসেলস বিমানবন্দরে তাকে আটকানো হয়েছিল। ব্রিটেন থেকে জামাইকা যাচ্ছিল সে। বেলজিয়ান পুলিশের দাবি ওই ব্যক্তি একটি নকল পুরুষাঙ্গের ভিতরে করে কোকেন পাচারের চেষ্টা করেছিল। তাঁরা আরও জানিয়েছেন বিমান বন্দরের কাছের এক হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তার দৈহিক পরীক্ষা করতে যেতেই প্রথমে বের হয়েছিল ওই কৃত্রিম পুরুষাঙ্গ। আর তার ভিতর থেকে বেরিয়েছিল প্রায় ১২৭ গ্রাম কোকেন।

তবে ব্রিটিশ যুবকের দাবি সে কোনওরকম মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত নয়। ওই মাদক তার ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ছিল। তার দাবি, জামাইকায় সে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে তার পরিচিত একজন তাকে ওই কোকেন দিয়েছিল। ব্রিটেনে ফিরে আসার পর সেই মাদক সে নিজেই সেবন করত ববলে দাবি করেছে সে।

সম্প্রতি তার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। এখনও ড্রাগ পাচারে তার কোনও ধরণের অংশগ্রহণ বা অন্য কোনওরকম ভূমিকার কথা প্রমাণিত হয়নি। তবে বেলজিয়ান সরকার পক্ষের উকিল তার ৩৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা দাবি করেছেন। তবে তার পক্ষে দাঁড়ানো উকিল তার 'শারীরিক অবস্থা'র কারণ দেখিয়ে তার বিরোধিতা করেছে। ব্রিটিশ যুবকের দাবি, তার কিডনির সমস্যা রয়েছে। নিয়মিত ব্যায়াম করার পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট ডায়েট অনুসরণ করে চলতে হয়। ২৪ জুন এই মামলার রায় দেওয়া হবে।