সংসদে পৌঁছে গেলেন নির্মলা সীতারমণএই প্রথম বাজেট হবে একেবারে কাগজ বিহীনমহামারির ফলে গত বাজেটের পদক্ষেপগুলি কার্যকর হয়নি সেভাবেএবার কোন কোন দিকে থাকছে নজর

অর্থমন্ত্রক থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন হয়ে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২১-২২ নিয়ে সংসদে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ এবং অর্থ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। বেলা ১১টা থেকে অর্থমন্ত্রী সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন। এই প্রথমবার, বাজেট পেশে ব্যবহার করা হচ্ছে না কোনও কাগজ। বাজেটের একটি একটি সফট কপি অনলাইনে আপলোড করা হচ্ছে। সকলেই সেখানে সম্পূর্ণ বাজেট দেখতে পাবেন। কোভিডের কারণেই এই বছর এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু এই একটি পদক্ষেপই নয়, কোভিড মোকাবিলায় মোদী সরকার আসন্ন বাজেটে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। দেখে নেওয়া যাক এদিনের বাজেটে কোন কোন বিষয়ে থাকবে নজর -

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আয়কর সুবিধা: ব্যয়ক্ষমতা বাড়াতে এই বাজেটে আরও বাড়তে পারে করবিহীন আয়ের সীমা। ২.৫ লক্ষ টাকা থেকে থেকে তা ৫ লক্ষ টাকা করা হতে পারে৷ মহিলারা পেতে পারেন বাড়তি সুবিধা।

কৃষি ক্ষেত্রে সুবিধা: কৃষক বিক্ষোভ প্রশমিত করতে বাজেটে বেশ কিছু পদক্ষেপ দেখা যেতে পরে। মোদি সরকারের প্রতিশ্রুতি ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকের আয় দ্বিগুণ করা হবে। সেই কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু কৃষি প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়তে পারে। ঋণ মকুব, কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের বিষয়ে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

মৌলিক আয়: দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে সর্বজনীন ন্যূনতম আয় নিশ্চিত করার ঘোষণা আসতে পারে সাধারণ বাজেটে।

গৃহঋণে ছাড়: কোভিড এবং লকডাউনে দারুণভাবে মার খেয়েছে রিয়েল এস্টেট ক্ষেত্র। এদিকে মোদী সরকারের প্রতিশ্রুতি ২০২২ সালের মধ্যে সকলের জন্য ঘর। আসন্ন বাজেটে এই প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। গৃহঋণের ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হতে পারে৷

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প: আত্মনির্ভর ভারত গঠনের স্বপ্ন সফল করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে বাড়তি উদ্যোগ দেখা যেতে পারে বাজেটে। এমএসএমই সেক্টরে বরাদ্দ বৃদ্ধি ছাড়াও জিএসটি-তে ছাড়ের আশাও করা হচ্ছে৷

কর্পোরেট কর ছাড়: কর্পোরেট করের হার ইতিমধ্য়েই কমানো হয়েছে। তারপরও লকডাউনের সময়েয় ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলা কতারা সরকারি সহায়তা পেতে পারে। বিনিয়োগভিত্তিক আর্থিক ত্রাণ এবং আগের বছরের ক্ষয়ক্ষতি সামঞ্জস্য করার ক্ষেত্রে নমনীয় হতে পারে সরকার।

কর্মসংস্থান ও নগদ: মধ্যবিত্ত শ্রেনির জন্য কর্মসংস্থান এবং আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে তাদের হাতে নগদ অর্থের জোগান বাড়ানোর কথাও ভাবা হতে পারে এই বাজেটে।

গবেষণা ও উন্নয়নে কর ছাড়: বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উন্নয়নের, বিশেষ করে রোগ বিষয়ক গবেষণা ও নিরাময়ের টিকা বিকাশের ক্ষেত্রে ব্যয়ভার কমানোর জন্য এই ক্ষেত্রে বাজেটে বড় মাপের কর ছাড় দেওয়া হতে পারে।