Air India Flights: জেট ফুয়েলের দাম অনেকটাই বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার কারণে, এয়ার ইন্ডিয়া তাদের উড়ানের সংখ্যা এবার কমাচ্ছে। সংস্থার সিইও ক্যাম্পবেল উইলসন জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে একাধিক আন্তর্জাতিক উড়ান চালানো আদতে একেবারেই লাভজনক হচ্ছে না। 

Air India Flights: এয়ার ইন্ডিয়া তাদের উড়ানের সংখ্যা কমিয়ে আনছে এবং আগামী মাসগুলিতে সেই সংখ্যা আরও কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে সংস্থাটি (Jet fuel price hike)। সিইও ক্যাম্পবেল উইলসন একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, “জেট ফুয়েলের দাম বেড়ে যাওয়ায়, আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ হওয়া এবং লম্বা রুটে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক উড়ান চালানো আর লাভজনক অবস্থায় থাকছে না সংস্থার জন্য।"

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জেট ফুয়েলের দাম আকাশছোঁয়া!

এই মুহূর্তে (Air India Flights) কঠিন পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে উইলসন বলেন, "জ্বালানির দাম হঠাৎ অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় আমরা এপ্রিল-মে মাসের জন্য কিছু উড়ান কমিয়ে দিয়েছি।" তিনি আরও যোগ করেন, "এই কারণগুলির জন্য আমাদের অনেক আন্তর্জাতিক উড়ান চালানো লোকসানের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে, সংস্থাকে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে। তাঁর কথায়, "আকাশসীমা এবং জেট ফুয়েলের দামের পরিস্থিতি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তাই জুন এবং জুলাই মাসেও আমাদের উড়ানের সংখ্যা আরও কমানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।"

উড়ান কমাতে বাধ্য হচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া?

যদিও অভ্যন্তরীণ রুটেও এর প্রভাব পড়েছে। তবে সেটা তুলনামূলকভাবে কম। উইলসন বলেন, "দেশের ভিতরের উড়ানগুলি থেকেও লাভ বেশ অনেকটা কমে গেছে। তবে এক্ষেত্রে প্রভাব কিছুটা কম। কারণ, সরকার দেশের মধ্যে জেট ফুয়েলের দামের বৃদ্ধি ২৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে।"

বাড়তি খরচ সামলাতে তাই সংস্থা ভাড়ার হার বৃদ্ধি করেছে। যদিও তার সুযোগও সীমিত। তিনি জানাচ্ছেন, "আমরা বিমানের ভাড়া বাড়িয়েছি এবং ফুয়েল সারচার্জ বসিয়েছি। কিন্তু এই বাড়তি ভাড়া যাত্রীদের চাহিদার উপর অনেকটাই প্রভাব ফেলে। তাই আমরা একটা সীমা পর্যন্তই ভাড়া বাড়াতে পারি, নাহলে মানুষ বাড়িতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন।"

সংস্থাটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা তাদের পরিষেবাকে ব্যাহত করছে। উইলসন বলেন, তারা আশা করছেন “মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি শীঘ্রই শান্ত হবে এবং হরমুজ প্রণালী খুলে যাবে, যাতে আমরা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারি।”

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।