কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে বাজেটে বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি একটি প্যানেল গঠনের প্রস্তাব করেছেন বাজেটে। এই প্যানেল সার্ভিস সেক্টরের উপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-র প্রভাব পর্যালোচনা করবে।
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে বাজেটে বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি একটি প্যানেল গঠনের প্রস্তাব করেছেন বাজেটে। এই প্যানেল সার্ভিস সেক্টরের উপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-র প্রভাব পর্যালোচনা করবে। বাজেটের আগে সংসদে পেশ হওয়া আর্থিক সমীক্ষায় এআই নিয়ে আশার কথা যেমন শোনানো হয়েছে, তেমনি কিছুটা আশঙ্কার কথাও শোনানো হয়েছে। তাই বিশ্বের অন্য দেশের সঙ্গে এগিয়ে যেতে এআই নিয়ে যে নির্মলা বাজেটে কিছু ঘোষণা করবেন, তা একপ্রকাশ আশা করা হয়েছিল।
সীতারামন বলেন, ‘এই কমিটি পরিষেবা খাতে বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর জন্য ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেবে।’ সীতারামন তাঁর ভাষণে বলেন যে, ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটের জন্য সরকার সংস্কারের পথ বেছে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন যে ভারত একটি উন্নত ভারত হওয়ার দিকে পদক্ষেপ নিতে থাকবে।
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন তাঁর বাজেটে ভারতের ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোর জন্য নতুন করে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এমএসএমই খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাজেট বক্তৃতায় তিনি নতুন তহবিল, ক্লাস্টার এবং আরও সুসংহত ঋণ ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণাগুলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলোর পুঁজি, বাজার এবং প্রাপ্য অর্থ পাওয়ার পদ্ধতিতে একটি নতুন পরিবর্তন আনবে।
সরকার ২০০টি পুরনো শিল্প ক্লাস্টারকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য একটি প্রকল্প চালু করবে। এর লক্ষ্য হল সেইসব ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা, যেগুলো ঋণের চাপ এবং পুরনো প্রযুক্তির কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল কর্মসংস্থান পুনর্নির্মাণ করা এবং ভুলে যাওয়া উৎপাদন কেন্দ্রগুলোকে পুনরুদ্ধার করা।
উচ্চ সম্ভাবনাময় সংস্থাগুলোকে বড় করার জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার একটি এসএমই গ্রোথ ফান্ড চালু করা হবে। এই তহবিলটি এমন নতুন কাঠামোর পাশাপাশি কাজ করবে, যা উৎপাদনশীলতা, আনুষ্ঠানিকতা এবং রফতানির জন্য প্রস্তুতিসহ নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণকারী এসএমইগুলোকে পুরস্কৃত করবে।
ক্ষুদ্রতম উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখার জন্য আত্মনির্ভর ভারত তহবিলে ২,০০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, এটি সেইসব ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলোকে সহায়তা করবে, যেগুলো ঋণ গ্যারান্টি প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও পুঁজির অভাবে ভুগছে।
