ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা আর শেয়ার বাজারের টালমাটাল পরিস্থিতি। এই আবহে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে লগ্নিকারীদের নজরে ফের উজ্জ্বল হলুদ ধাতু।

URL: 

Keywords: Keywords: 

সারাংশ: 

২০২৬ সালে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ₹১.৫-১.৭৫ লক্ষ পর্যন্ত যাওয়ার পূর্বাভাসের মাঝে, বিনিয়োগের জন্য আধুনিক গোল্ড ইটিএফ (Gold ETF) সাবেকি গয়নার চেয়ে বেশি লাভজনক ও নিরাপদ। ইটিএফ-এ মেকিং চার্জ বা চুরির ঝুঁকি নেই, রয়েছে স্বচ্ছতা ও উচ্চ তারল্য, যা দীর্ঘমেয়াদে ভালো রিটার্ন দেয়। গয়না শুধুমাত্র ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত, বিনিয়োগের জন্য নয়।

সাবেকি গয়না বনাম আধুনিক ইটিএফ-এর বিস্তারিত তুলনা (২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে):

* বিনিয়োগে লাভের অংক:

• গোল্ড ইটিএফ (ETF): এটি সরাসরি বিশ্ববাজারের সোনার দাম ট্র্যাক করে। এতে কোনো মেকিং চার্জ বা গয়নার দোকানের বাড়তি মুনাফা নেই, তাই কম খরচে বেশি সোনা কেনা সম্ভব। এছাড়া, গোল্ড ইটিএফ-এ বিনিয়োগ করলে স্টকের মতো সহজেই কেনা-বেচা করা যায়।

• সাবেকি গয়না: গয়না কিনলে ১০-২৫% পর্যন্ত মেকিং চার্জ দিতে হয়, যা পরে বিক্রি করার সময় পাওয়া যায় না। তাছাড়া, ২২ ক্যারেট সোনা দিয়ে গয়না তৈরি হলেও ২৪ ক্যারেট (বিশুদ্ধ) সোনার দামের তুলনায় এর রিটার্ন কম।

* নিরাপত্তা ও ঝুঁকি:

• ইটিএফ: এটি ইলেকট্রনিক বা ডিমেটেরিয়ালাইজড আকারে থাকে, তাই চুরির কোনো ঝুঁকি নেই। * গয়না: ভৌত সোনা বা গয়না ঘরে রাখা বা লকারে রাখার জন্য বাড়তি খরচ ও সুরক্ষার চিন্তা থাকে।

* ট্যাক্স ও অন্যান্য বিষয়:

• গোল্ড ইটিএফ-এ সম্পদ কর প্রযোজ্য নয়। • গয়নার ক্ষেত্রে ৩% GST এবং পরে বিক্রির সময় হলমার্কিং চার্জের মতো বিষয়গুলো থাকে।

উপসংহার:

* বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে: গোল্ড ইটিএফ (Gold ETF) বা গোল্ড ফান্ডের (Gold Fund) মাধ্যমে ডিজিটাল সোনা কেনা বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ এটি কম খরচে সর্বোচ্চ মুনাফা দেয়।

* ব্যবহারের উদ্দেশ্যে: সোনা পরে বা উপহার দেওয়ার জন্য কিনলে তবেই সাবেকি গয়না কেনা উচিত।

সতর্কীকরণ: ২০২৪-২০২৫ সালে সোনা প্রায় ৬০% রিটার্ন দিয়েছে, কিন্তু এটি সবসময় বজায় নাও থাকতে পারে, তাই বিনিয়োগের আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন।