২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে ব্যাঙ্কিং অপারেশন শুরু করেছিল বন্ধন। চলতি বছরের অগাস্ট মাসে পূর্ণ হবে পাঁচ বছর। মাত্র পাঁচ বছরেই গোটা দেশে ৪৫৫৯ টি ব্যাঙ্কিং আউটলেট গড়ে তুলেছে বন্ধন ব্যাঙ্ক এবং তাদের মাধ্যমে ২.০৩ কোটি গ্রাহককে পরিষেবা দিচ্ছে। ২০২০-২১ আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে ব্যবসার ফলাফল গতকাল ঘোষণা করেছে বন্ধন ব্যাঙ্ক। গত আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের তুলনায় ব্যাঙ্কের মোট ব্যবসার আয়তন ২৪.৯৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১,৩৪,৯৪১ কোটি টাকা।  বর্তমানে বন্ধন ব্যাঙ্কের মোট কর্মীসংখ্যা ৪১৫৬৩। 

শুধু গ্রাহক সংখ্যাই নয় পাশাপাশি বৃদ্ধি পেয়েছে ঋণের খাতাতেও। গত আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের তুলনায় ব্যাঙ্কের দেওয়া ঋণের বহর ১৭.৬৮ শতাংশ বেড়েছে। মোট ঋণ তথা অগ্রিমের আয়তন এখন ৭৪৩৩১ কোটি টাকা। ব্যাঙ্কের এনপিএ তথা অলাভজনক সম্পত্তি এখন ০.৪৮ শতাংশ। বন্ধনের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা কতটা সুদৃঢ় এতে তারই পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে। গত আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের তুলনায় এই ব্যাঙ্কের আমানাত বেড়েছে ৩৫.৩০ শতাংশ। ব্যাঙ্কের মোট আমানতের বহর এখন ৬০,৬১০ কোটি টাকা। ব্যাঙ্কের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ও সেভিংস অ্যাকাউন্ট  মিলিয়ে আমানত ৪৭.৩০ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ২২,৪৭৩ কোটি টাকা। ব্যাঙ্কের সামগ্রিক জমা খাতার মধ্যে কাসা-র অনুপাত এখন ৩৭.০৮ শতাংশ।

ব্যাঙ্কের ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েসি রেশিও (সিএআর) তথা মূলধনের পর্যাপ্ততার অনুপাত ব্যাঙ্কের স্থায়িত্বকে বোঝায়। মুনাফা সহ বন্ধন ব্যাঙ্কের সিএআর রেশিও এখন ২৭.২৯ শতাংশ, যা কিনা গ্রহণযোগ্য অনুপাতের ১১ শতাংশের তুলনায় অনেক বেশি। ব্যাঙ্কের নিট মুনাফা হয়েছে ৫৫০ কোটি টাকা। যা গত ত্রৈমাসিকের নিট মুনাফার তুলনায় ৬.৩৮ শতাংশ বেশি। তাই আগামী দিনেও গ্রাহকদের আরও উন্নত পরিষেবা দিতে পারবে বলে আশাবাদী এই ব্যাঙ্ক।