লকডাউনের মধ্যেই  নয়া ধামাকা নিয়ে হাজির  মুকেশ আম্বানি।  একের পর এক বিজনেস ডিল করেই চলেছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রি। সম্প্রতি করোনা রুখতে পঞ্চম দফার লকডাউন শুরু হয়েছে। আনলক ২ পর্বেই আবারও নয়া চমক। মহাসঙ্কটের সময় যখন অন্যান্য সংস্থা কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তখন সবাইকে চমকে দিয়ে গোটা বিশ্ববাজারে উঠে আসছে রিলায়েন্স এর নাম।  অনলাইনের মধ্য দিয়েই খুচরো ব্যবসায় পা দিয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রি। ২০২০ সালেই রিলায়েন্স জিও-র ই-কর্মাস প্ল্যাটফর্ম জিও মার্ট নিয়ে হাজির হয়েছে এই সংস্থা।  এবার দেশের খুচরো ব্যবসায় নয়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে এই সংস্থা।

 


পাড়ার ছোট মুদি দোকানিদের জন্য সুখবর শোনাল জিওমার্ট। এবার অনলাইনেই পেয়ে যাবেন পাড়ার ছোট মুদি দোকানের সমস্ত আইটেম। যাকে বলে হাতের মুঠোয় আস্ত মুদিখানার  বিপুল সম্ভার। গ্রসারি ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মে নয়া মাত্রা আনতে চলেছে জিওমার্ট ও হোয়াইসঅ্যাপের যৌথ উদ্যোগ। হকার থেকে ছোট মুদির দোকান- হোয়াটসঅ্যাপের সঙ্গে আকর্ষণীয় ডিল নিয়ে হাজির জিওমার্ট। হকার থেকে পাড়ার ছোট মুদি দোকানিদের বিপুল ভাবে লাভবান হতে চলেছেন। দেশের ২০০ টি শহরে এই পাইলট প্রজেক্টের ডেবিউ করে ফেলেছে জিওমার্ট।

 

 

গতকাল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির ৪৩ তম বার্ষিক সাধারণ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে । করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে এবারের অধিবেশন হয়েছে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে।  সেখানেই বড় ঘোষণা করেছেন মুকেশ আম্বানি। ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি। তাদের মাধ্যেমেই এক ছাদের তলায় সকলকে নিয়ে আসবে এই জিও মার্ট। গতকালই এই পাইলট প্রজেক্টের কথা ঘোষণা করেছেন  মুকেশ আম্বানি। তিনি জানিয়েছেন, পাড়ার ছোট মুদি দোকান থেকে, স্থানীয় দোকান, হকার সকলেই এই জিও মার্টে রেজিস্টার করতে পারবেন। তারপর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেই তার অর্ডার পাবেন। আর জিওমার্টের মাধ্যমে তা পৌঁছে যাবে গ্রাহকদের বাড়াতে। এর ফলে ছোট ব্যবসায়ীরা অনায়াসেই তাদের ব্যবসা বাড়াতে পারবেন। এর ফলে নিজের এলাকাতেই শুধু নয়, দূরের গ্রাহকদের কাছে আনতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। এতে হোয়াটসঅ্যাপেরও ব্যবসা বাড়বে। ছোট ব্যবসায়ী জিওমার্টের কারণে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করবেন। নতুন জিওমার্ট ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে কোভিড ১৯ কিটও দেওয়া হবে। যিনি প্রথম অর্ডার করবেন তিনিই পেয়ে যাবেন এই কিট।