- Home
- Business News
- Pricing Psychology: কেন জিনিসের দাম ৪৯৯ বা ৯৯৯ টাকা হয়? এর পেছনের আসল খেলাটা জানেন?
Pricing Psychology: কেন জিনিসের দাম ৪৯৯ বা ৯৯৯ টাকা হয়? এর পেছনের আসল খেলাটা জানেন?
শপিং করতে গিয়ে প্রায়ই দেখেন জিনিসের দাম ৪৯৯, ৭৯৯ বা ৯৯৯ টাকা। কিন্তু ব্যবসায়ীরা কেন এমন দাম রাখেন, ভেবে দেখেছেন? এর পিছনে রয়েছে এক দারুণ মনস্তাত্ত্বিক কৌশল। আসুন, জেনে নেওয়া যাক সেই রহস্য।


৪৯৯ টাকা দাম মানেই যে জিনিসটা ৫০০ টাকার চেয়ে ভালো ডিল, তা কিন্তু নয়। দামের শেষে ৯ থাকলেই জিনিসটা সস্তা হয়ে যায় না। কিছু গবেষণা বলছে, ৯ দিয়ে শেষ হওয়া দাম ক্রেতাদের কেনার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে।
অনেক সময় এই ধরনের দামের জিনিসপত্র গড়ে বেশি দামে বিক্রি হয়। তাই শুধু ৯৯৯ বা ৪৯৯ টাকা দাম দেখেই ঝাঁপিয়ে পড়বেন না। অন্য দোকানে দাম কত, ছাড় কতটা আসল, বা জিনিসের মান কেমন, সেটাও খতিয়ে দেখা উচিত।
বিক্রেতারা শুধু ৯ দিয়েই দাম শেষ করেন না। কিছু পণ্যের দাম ৫ বা ৭ দিয়েও শেষ হয়। এর মাধ্যমে পণ্যের দামকে একটি নির্দিষ্ট স্তরে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। অন্যদিকে, কিছু বিলাসবহুল পণ্যের দাম পুরো সংখ্যায় লেখা হয়।
এর ফলে পণ্যটিকে দামি, উন্নত মানের এবং এক্সক্লুসিভ হিসেবে তুলে ধরা যায়। অর্থাৎ, দাম নির্ধারণের পদ্ধতিটি পণ্যের ধরন, টার্গেট কাস্টমার এবং ব্র্যান্ড ইমেজের উপর নির্ভর করে। মোদ্দা কথা, ৪৯৯ বা ৯৯৯ টাকার মতো দাম শুধু এক টাকা কমানোর জন্য নয়, এটা ক্রেতার মনস্তত্ত্বকে মাথায় রেখে তৈরি করা একটি সাইকোলজিক্যাল প্রাইসিং কৌশল।
তাই শপিং করার সময় শুধু দামের শেষের ৯ দেখে আকৃষ্ট না হয়ে, পণ্যের আসল দাম, গুণমান এবং অন্যান্য জায়গার দামের সঙ্গে তুলনা করে কেনাকাটা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

