প্রকাশিত হল স্কুল সার্ভিস কমিশনের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা। চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। তাতে নাম রয়েছে মোট ১৮ হাজার ৯০০ জন প্রার্থীর।

প্রকাশিত হল স্কুল সার্ভিস কমিশনের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা। ১২,৪৪৫ শূন্যপদের জন্য এই প্যানেল প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। উত্তীর্ণদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশ করা হয়েছে অনুত্তীর্ণদের তালিকাও। এছাড়াও প্রকাশ করা হয়েছে ওয়েটিং লিস্টের তালিকাও। যার মধ্য়ে চাকরি পাবেন ১২ হাজার ৫০০ জন। আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে যাবে কাউন্সেলিং। তারপর সেই ভিত্তিতেই দেওয়া হবে সুপারিশ পত্র। কমিশন সূত্রে খবর, চলতি মাসের শেষ থেকেই কাউন্সেলিং শুরু হয়ে যেতে পারে।

একাদশ-দ্বাদশে শিক্ষক নিয়োগের জন্য মোট শূন্যপদ ১২,৪৪৫টি। একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসেছিলেন ২ লক্ষ ২৯ হাজার ৬০৬ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার ৫৪ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করা হয়েছিল।

সুপ্রিম কোর্টে কমিশন জানিয়েছিল যে ৭ জানুয়ারি একাদশ-দ্বাদশের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরে কয়েকজন প্রার্থীদের নতুন করে ইন্টারভিউ এবং ডেমোস্ট্রেশন নিয়েছে কমিশন। একাদশ-দ্বাদশের যে সব চাকরিপ্রার্থী আবেদনের সময় তাঁদের জাতিগত বিভাগ উল্লেখ করেননি, তাঁদের একটি অংশ ক্যাটাগরি আপডেট করার সুযোগ দেওয়ার আর্জি জানান। আবেদনে তাঁদের দাবি ছিল, এই জাতিগত বিভাগ লিখলে বিষয়ভিত্তিক কাট অফ নম্বরে তাঁদের নাম উঠবে ও তাঁরা ইন্টারভিউয়ের জন্য তথ্য যাচাইয়ে সুযোগ পাবেন। কলকাতা হাইকোর্ট তাঁদের এই আবেদন মঞ্জুর করেছিল। সেই আবেদনের ভিত্তিতে ১৫৪ জন চাকরিপ্রার্থী ইন্টারভিউয়ের জন্য তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছিল। সেই কারণেই চূড়ান্ত প্যানেল প্রকাশ করার সময়সীমা পিছিয়ে যায়।

২১ জানুয়ারি একাদশ-দ্বাদশের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হল। এরপর শুরু হবে কাউন্সেলিং। পছন্দের ভিত্তিতে স্কুল বেছে নিতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা। এরপর সুপারিশের ভিত্তিতে যোগ্যদের চাকরির নিয়োগপত্র হাতে তুলে দেওয়া হবে। সরস্বতী পুজো ও প্রজাতন্ত্র দিবসের ছুটি থাকায় ২৭ জানুয়ারির আগে কাউন্সেলিং ও স্কুল বাছাই পর্ব শুরু করা সম্ভব হবে না। তবে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় রাজ্য। সুপ্রিম কোর্ট ২০২৬ সালের অগাস্ট পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগের জন্য সময় বৃদ্ধি করলেও বিধানসভা ভোটের আগেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে ফেলতে চায় রাজ্য সরকার। তাই মনে করা হচ্ছে ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদই স্কুলে স্কুলে নতুন শিক্ষক শিক্ষিকারা যোগ দেবেন।