এই ৪টি চাকরি আপনার থেকে কোনও দিন কেড়ে নিতে পারবে না AI! রয়েছে বিশেষ কারণ
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) অনেক চাকরির উপর প্রভাব ফেললেও, কিছু ক্ষেত্র এর থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

AI নিয়ে উদ্বেগের কারণ থাকলেও, ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭০ মিলিয়ন নতুন চাকরি তৈরি হবে। অ্যালগরিদম মানুষের উপলব্ধি ও নৈতিকতার জায়গা নিতে পারে না।
স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষ করে নার্সিং পেশায় মানুষের আবেগ ও সহানুভূতির প্রয়োজন। মেশিন রক্তচাপ মাপতে পারলেও, একজন নার্সের মতো মানসিক সান্ত্বনা দিতে পারে না। তাই এই চাকরি AI নিতে পারবে না।
প্লাম্বার, ইলেকট্রিশিয়ানদের মতো দক্ষ কারিগরদের কাজ যন্ত্রের পক্ষে করা কঠিন। প্রতিটি বাড়ির গঠন আলাদা এবং সমস্যা সমাধানের জন্য মানুষের বুদ্ধি ও শারীরিক দক্ষতার প্রয়োজন, যা AI-এর নেই।
মানসিক স্বাস্থ্যক্ষেত্রে থেরাপিস্ট ও কাউন্সেলরদের ভূমিকা অপরিহার্য। যন্ত্র মানুষের আবেগ, কষ্ট বা অনুভূতি বুঝতে পারে না। বিশ্বাস ও সহানুভূতি তৈরি করা AI-এর পক্ষে সম্ভব নয়, তাই এই পেশা সুরক্ষিত।
শিক্ষকতা শুধু তথ্য দেওয়া নয়, এটি শিশুদের ব্যক্তিত্ব গঠন করা। একজন শিক্ষকই পারেন শিক্ষার্থীর মানসিক অবস্থা বুঝতে এবং তাকে জীবনের দিশা দেখাতে। AI ভালো মানুষ হওয়ার প্রেরণা দিতে পারে না।

