কংগ্রেসকে ঢাল করে এবার মমতাকে কথা শোনাতে ছাড়লেন না বিজেপির রাজ্য় সভাপতি।  কদিন আগেই সংসদে পাশ হওয়া আইন কোনও রাজ্য়ই অমান্য় করতে পারে না বলে মন্তব্য় করেছিলেন কংগ্রেস নেতা কবিল সিবাল। এবার দিলীপ ঘোষের মুখে ও শোনা গেল সেই কথা। উত্তরবঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, একে একে সবাই মমতাকে ছেড়ে পালাচ্ছে। রাজ্য়ে  সিএএ, এনআরসি হতে বাধ্য।

সম্প্রতি  নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতা করে বিধানসভায় প্রস্তাব আনতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, বিধানসভায় সিএএ বিরোধী প্রস্তাব এনে কাজ হবে না। কারণ এটা এখন সাংবিধানিক আইন। এটা এক প্রকার সংবিধানের বিরুদ্ধে প্রস্তাব নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের নাটক আমরা আগেও দেখেছি। অনেক প্রস্তাব আগেও নেওয়া হয়েছে। কাজেই এ ধরনের প্রস্তাব এনে পরিবর্তন হয়নি।

মঙ্গলবার কোচবিহারে গিয়েছেন দিলীপবাবু। সেখানে তিনি বলেন, অতীতে কোনও কোনও ইস্যুতে বাম, কংগ্রেস, তৃণমূল একসঙ্গে থেকেছেন। উনি সবার নেতা হতে গিয়েছেন। তারপর সবাই ছেড়ে চলে গেছে। সিএএ আইনের ক্ষেত্রেও তাই হবে। কদিন আগে সিএএ বিরোধিতায় পথে নেমেছেন তৃণমূল নেত্রী। যা নিয়ে মুখে খুলেছেন দিলীপ । তিনি বলেন, শরণার্থী উদ্বাস্তুদের সব দল ভোটার করেছিল,নাগরিক করেনি। মোদী সরকার এসে এই উদ্য়োগ নিয়েছে। তাই নাগরিকত্ব ফর্মে অবশ্যই স্বাক্ষর করতে হবে। মমতা বন্দোপাধ্যায়য়ের কথায় ভরসা করলে ভুগতে হবে । 

প্রথমে সিএএ ,এনআরসি, এনপিআর নিয়ে বিরোধিতা করলেও এখন সুর নরম করেছে কংগ্রেস। সাম্প্রতিককালে বিশিষ্ট আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা কবিল সিবালের কথাতেই তা স্পষ্ট। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সংসদে পাশ হওয়া সিএএ আইন কোনও রাজ্য় মানব না বলতে পারে না।  সিবালের এই মন্তব্য়ের পরই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।  তবে কি নিজেদের সিএএ বিরোধী অবস্থান থেকে সরে আসল কংগ্রেস।