উত্তর প্রদেশ থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল ১৫ কেজির প্যাঙ্গোলিনকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পাচারকারী সমেতই প্রাণীটিকে উদ্ধার করল ওয়াইল্ড লাইফ কন্ট্রোল ব্যুরো ও ক্রাইম কন্ট্রোল সেল। 

বন দফতরের আধিকারিকদের কাছে খবর ছিল, উত্তর চব্বিশ পরগণার শাসন থানা এলাকার বারো মল্লিকা এলাকা থেকে একটি প্যাঙ্গোলিন পাচারের চেষ্টা চলছে। সেই মতো মঙ্গলবার রাতে ওই গ্রামে হানা দেন ওয়াইল্ড লাইফ কন্ট্রোল ব্যুরো ও ক্রাইম কন্ট্রোল সেল-এর আধিকারিকরা। এই গ্রামেরই এক বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে একটি প্যাঙ্গোলিন বা বনরুই উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া প্যাঙ্গোলিনটিরল ওজন প্রায় পনেরো কেজি। উত্তরপ্রদেশ থেকে সেটিকে নিয়ে এসেছিল শরিফুল। মোটা টাকার বিনিময়ে প্রাণীটিকে বিক্রি করার উদ্দেশ্য ছিল তাঁর। 
এই ঘটনায় আন্ত রাজ্য় পাচার চক্র জড়িত বলেই ধারণা বন কর্মীদের। ধৃত শরিফুলকে জেরা করে সেই চক্রের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা চলছে। 

জানা গিয়েছে, দাঁতহীন স্তন্যপায়ী এই প্রাণীটির আঁশ এবং মাংসের আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল চাহিদা রয়েছে।প্যাঙ্গোলিনের আঁশ দিয়ে ওষুধ এবং জ্যাকেট তৈরি হয়। পাশাপাশি এর মাংস দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতেও খুব জনপ্রিয়। এ দিনই অভিযুক্তকে বারাসত আদালতে তোলা হবে। উদ্ধার হওয়া প্রাণীটিকে বারাসতে বন দফতরের অফিসে এনে রাখা হয়েছে। সেটির কোনওরকম শারীরিক সমস্য়া আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন পশু চিকিৎসকরা।