করোনাভাইরাসের নতুন টার্গেট শিশুরা। বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করতে শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের কথায় করোভাইরাসের জিন পরিবর্তিত হয়েছে। আর নতুন এই স্ট্রেইনের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও। বৃহস্পতাবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১০ রাজ্যের জেলা শসাকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানান হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীদেরও। কোভিড পর্যালোচনার সেই বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জেলা শাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন কোভিডে আক্রান্ত শিশু ও তরুণদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। একই সঙ্গে করোনা-টিকার অপচয় যাতে না হয় তার জন্যও জেলা শাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ভাইরাসটি রূপান্তরিত হওয়ার কারণে তরুণ ও শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। যা রীতিমত উদ্বেগের বিষয়। সেই কারণেই জেলার সমস্ত শিশু ও কিশোরদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে তা পর্যালোচনাও করতে হবে হবে। তেমনই নির্দেশ দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। মহারাষ্ট্র, কেরল, উত্তর প্রদেশ পশ্চিমবঙ্গসহ একাধিক রাজ্যের জেলা শাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ মোকাবিলা  নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা দেশেই ভ্যাকসিন সরবরাহ বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন। 


ভ্য়াকসিন অপচয়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন টিকা যখন সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে তখনই কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চিত হবে যে টিকা অপচয় হচ্ছে না। শহর ও গ্রাম দুটি জায়গাতেই যাতে টিকা নষ্ট না হয় সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ভ্যাকসিন অপচয় বন্ধ করে প্রয়োজনী পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। বর্তমানে চাহিদা তুলনায় টিকার যোগান কম থাকায় অনেক জায়গাতেই টিকাকর্মসূচি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সেই কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের জেলা শাসকদের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে। এটি তাঁদের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর আগেও দিন কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেখানেই তিনি জেলা শাসকদের ফিল্ড কমান্ডার বলে উল্লেখ করেছিলেন।