দীর্ঘদিন ধরেই পর্দার আড়ালে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিল হয়েছিলেন।  কিন্তু  প্রধানমন্ত্রী জনতা কারফু ঘোষণা করার আগে থেকে সামনে আসেননি। তেমন কোনও বিবৃতিও দেননি। লকডাউনের নবম দিনে নীরবতা ভেঙে এগিয়ে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম ও প্রধান সৈনিক অমিত শাহ। আর তিনি নীরবতা ভেঙেই অমিত শাহ নিশানা করলেন কংগ্রেসকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন কংগ্রেস সংকীর্ণমানের রাজনীতি করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ১৩০ কোটি ভারতীয় করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই চালাচ্ছে। যা বিশ্বব্যাপী প্রশংসাও পেয়েছে। কিন্তু দেশের কাছে এই সময় বড় কঠিন। তাই এই সময়ে জাতীয় স্বার্থ না দেখে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা বন্ধ করাই শ্রেয়। 

 

এই দিনই কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধি। করোনাভাইরাস মোকাবিলা ও লকডাউনের এই সময় দলের কী ভূমিকা হতে পারে তা নিয়েও আলোচনা করেন সনিয়া। সেখানেই তিনি বলেছিলেন  কয়েকঘণ্টার নোটিশে লকডাউন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত অস্বস্তিকর। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকা সত্ত্বেও বহু অভিবাসী শ্রমিককে বাধ্য হয়েই গ্রামে ফিরে যেতে হচ্ছে। যা বহু মানুষকেই সমস্যয় ফেলে দিয়েছে। 


কংগ্রেসের এই ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক নিয়েই রাহুল গান্ধি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তা দেন। যেখানে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলেই কংগ্রেস নেতা কর্মীদের সক্রিয় হতে হবে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষকে সবরকম ভাবে সাহায্য করতে হবে। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথম দিকে কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকাকে রীতিমত স্বাগত জানিয়েছিল। সনিয়া মোদীকে একটি দীর্ঘ চিঠিও লিখেছিলেন সপ্তাহখানেক আগে। সবরকম সাহায্য করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। একই সুর ছিল রাহুল গান্ধির গলায়ও। কিন্তু সপ্তাহখানেকের মধ্যেই পুরো ছবিটাই বদলে গেছে। সূত্রের খবর কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে রীতিমত সমালোচিত হয়েছে লকডাউন ঘোষণার প্রক্রিয়া ও অভিবাসী শ্রমিকদের হয়রানি। 
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৩২৮, ৯হাজার তাবলিগী জামাত চিহ্নিত, পাঠান হল কোয়ারেন্টাইনে

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় লকডাউনে কল্পতরু মোদী, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা