করোনাভাইরাসে রীতিমত ত্রস্ত ভারত। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতেই ২১ দিনের লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্তব্ধ প্রায়  ১৩০ কোটির দেশের জনজীবন। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পাশে দাঁড়িয়েছেন দেশের লক্ষ কোটি গরীব মানুষের। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ভূমিকার প্রশংসা করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান  ট্রেডস আধানম ঘেবরেয়েসাস। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে অধিকাংশ দেশই ছন্দপতন হয়েছে স্বাভাবিক জীবনের। অনেক দেশে জারি করা হয়েছে আংশিক নিষেধাজ্ঞা। অনিচ্ছাকৃত এই পদক্ষেপ দরিদ্রদের ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। যার পরিণতি খুব একটা ভালো হবে না।এই অবস্থায় পিছিয়ে পড়া ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাবার ও জীবনের প্রয়োজনীয় দ্রব্য গুলির সরবরাহ সুনিশ্চিত করতে সমস্ত দেশকে  আহ্বান জানিয়েছে সোল্যাল মিডিয়ায় প্রথম বার্তা দেন ট্রেডস আধানম ঘেবরেয়েসাস। 

 


তাঁর পরবর্তী বার্তাটি ছিল ভারতের জন্য। আরও খুলে বললে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য। প্রধানমন্ত্রীকে নাম লিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান প্রশংসা করেন তাঁর। বলেই  এই সংকটের সময় ভারতের অরক্ষিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো উপযুক্ত পদক্ষেপ। তিনি পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য ২৪ বিলিয়ন ডলারের প্যাকেজ ঘোষণা ও বহু মানুষকে বিনামূল্যে খাবার দেওয়ার জন্য প্রশংসা করেন। সেই বার্তায় মহিলা আর্থিক সুবিধে ও রান্নার গ্যাস দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।  


গত মঙ্গলবারই লকডাউন মোকাবিলা দেশের গরীব মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী তিন মাস পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। সুবিধে বাড়ান হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর গরীব কল্যাণ যোজনাসহ একাধিক প্রকল্পের। প্যাকেজ ঘোষণার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ও প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের মূল উদ্দেশ্যই হল, দেশের কোনও মানুষই যাতে অভুক্ত না থাকে তার ব্যবস্থা করা। আর এই লক্ষ্য পুরণে সবরকম প্রয়াস চালাবে তাঁরা। কেন্দ্রের ঘোষিত এই আর্থিক প্যাকেজেরই রীতিমত প্রশংসা করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান। 

আরও পড়ুনঃ করোনা সন্দেহ না ব্যবসায় ক্ষতি, স্পষ্ট নয়, কোয়ারেন্টাইন থেকে মরণ ঝাঁপ ব্যবসায়ীর

আরও পড়ুনঃ করোনা থেকে রেহাই নেই সদ্যোজাতর, মুম্বইতে আক্রান্ত ৩ দিনের শিশু ও মা