মঙ্গলবার, কিছুটা হলেও স্বস্তিতে ভারত। অল্প হলেও কমল ভারতে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের দাপট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন সংক্রমণের সংখ্যা কিছুটা কমে হয়েছে, ৩,২৯,৯৯২ টি। সোমবার টানা ৪ দিন পর দৈনিক নতুন সংক্রমণের সংখ্য়া ৪ লক্ষের নিচে নেমে এসেছিল। সব মিলিয়ে দেশের মোট করোনভাইরাস সংক্রমণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২,২৯,৯২,৫১৭-এ। আর গত ২৪ ঘন্টায় করোনাজনিত কারণে প্রাণহানির সংখ্যা, ৩৮৭৬। ফলে ভারতের মোট কোভিড-১৯'এ মৃত্যুর সংখ্যা হয়েছে, ২,৪৯,৯৯২।

এদিন সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক যে তথ্য দিয়েছে, তা বলছে, ভারতে বর্তমানে সক্রিয় কোভিড-১৯ মামলা অর্থাৎ চিকিৎসাধীন রোগী আছেন, ৩৭,১৫,২২১ জন, যা ভারতের মোট করোনা সংক্রমণের ঘটনার সংখ্যার ১৬.৫৩ শতাংশ। আর এখন পর্যন্ত ১৯,০২৭,৩০৪ জন রোগীকে কোভিড-১৯ রোগ জয় করেছেন। সরকারী তথ্য অনুসারে, জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার এখন ৮২.৩৯ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এখন ১.০৯ শতাংশ।

বর্তমানে করোনভাইরাস মহামারীর দ্বিতীয় তরঙ্গের বিরুদ্ধে লড়াই করছে ভারত। এখনও দেশের সবথেকে করোনা-ধ্বস্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। সব মিলিয়ে এই রাজ্যের মোট করোনা সংক্রমণেরর সংখ্যা এখন ৫১.৩৮ লক্ষ। তবে সোমবার মুম্বই-এর দৈনিক নতুন সংক্রমণের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ১৭৯৪টি নতুন সংক্রমণের ঘটনা পাওয়া গিয়েছে, যা গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। মহারাষ্ট্রের পর এখন ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে করোনায় সবথেকে বেহাল অবস্থা - কর্নাটক, কেরল, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং দিল্লির।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে, ভারতে এখন করোনার যে রূপভেদটি সবথেকে বেশি ছড়াচ্ছে, সেটি যথেষ্ট উদ্বেগের। গবেষকদের ভাষায় 'ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন'।