সারা দেশে একটানা ২১ দিনের লকডাউনের ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। প্রত্যেকেই কোভিড-১৯-এর জেরে গৃহবন্দি। সারা বিশ্ব জুড়ে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস।  আর এই মারণ ভাইরাসের জেরে বড় ধাক্কা  পড়েছে অর্থনীতির উপর। আর তারই প্রভাব পড়েছে কর্মসংস্থানে। তার ফলেই কর্মহীন হয়ে পড়তে পারে লক্ষ লক্ষ মানুষ তেমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কর্মী ছাটাই শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় আইটি কোম্পানিগুলো। আগামী মাসের মধ্যে ভয়ঙ্কর অবস্থা হতে চলেছে  কর্মসংস্থানের।
আরও পড়ুন-করোনাভাইরাসই সাময়িক স্বস্তি দিল বিজয় মালিয়াকে, মামলায় স্থগিতাদেশ ইংল্যান্ডের আদালতের...

আগামী মাসের মধ্যে অন্তত দেড় লক্ষ মানুষ কাজ হারাতে পারেন বলেন আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে বেশ কিছু আইটি কোম্পানি। তার মধ্যে পুনের  জেটকন সলিউশনস আইটি কোম্পানি ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন কর্মীকে পিঙ্ক স্লিপ ধরিয়ে দিয়েছে। ঠিক এরকমই অবস্থা আরও বেশ কয়েকটি কোম্পানির। ভারতীয় আইটি কোম্পানিগুলির গ্রোথ আর কয়েক মাসের মধ্যে অস্বাভাবিক ভাবে কমে যাবে বলে জানিয়েছেন ইনফোসিসের প্রাক্তন সিএফও।



আরও পড়ুন-আয়ুর্বেদিক ওষুধেই জব্দ করোনা, বেঙ্গালুরুর ডাক্তারের হাতে সুস্থ হলেন প্রিন্স চার্লস...

আরও পড়ুন-ফের করোনার কোপ ক্রীড়া বিশ্বে, পিছিয়ে গেল ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ...

আরও পড়ুন-রাজ্য়ে করোনা হট স্পট কোনগুলো, সন্ধান দেবে 'সন্ধানে অ্যাপ'...

সারা বিশ্ব জুড়ে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। সারা দেশে একটানা ২১ দিনের লকডাউনের ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যেই একাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে । আর এর প্রভাব আর বেশি করে বাড়বে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে এবং আগামী মাসে।গত মার্চ মাসেই ইন্টারন্যাশনাল লেবার সংস্থা জানিয়েছিল ২৫ মিলিয়ন  মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই মার্কিন মুলুকেও বিরাট কর্মী ছাটাইয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।  এই কর্মী ছাটাই এই সংকটের কারণেই শুরু হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যার ফলে ছোট ছোট আইটি কোম্পানিগুলি সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের মধ্যে ৪০-৫০ লক্ষ মানুষ এই আইটি সেক্টরে কাজ করেন। আর তার মধ্যে ১০-১২ লক্ষ মানুষ কাজ করে ছোট আইটি সেক্টরে।  সবথেকে বড় ক্ষতির মুখে পড়বেন এই অংশের  মানুষরাই। করোনা ভাইরাসের জেরে যেভাবে অর্থনীতির ক্ষতি হচ্ছে তাতে আগামী দিনে  সাধারণ মানুষের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন ‌ করোনা সংকটের জেরে অর্থনীতি ভেঙে পড়ার কারণেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই হতে পারে। আর সেটা  খুব বেশি দূরে নয়, আগামী কয়েক সপ্তাহ অথবা আগামী মাসের মধ্যেই হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।