এক বছর আগে ২৪ মার্চ ভারতে লকডাউন জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। পরের তিন মাস বাড়িতেই ছিল ভারতবাসী। ৩৬৪ দিন পর ফের নতুন করে করোনভাইরাস সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণ করতে ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে আরও এক কোভিড কালীন নির্দেশিকা প্রকাশ করল। তবে, এই নির্দেশিকা অনেকটাই আনলক পর্বের শুরুর সময়ের নির্দেশিকার মতো। এই নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে ১ এপ্রিল থেকে। আপাতত, ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই নির্দেশিকা কার্যকর থাকবে।

বর্তমানে মহারাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ফের বাড়ছে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যা। এই অবস্থায়, সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে বাধ্যতামূলকভাবে 'টেস্ট-ট্র্যাক-ট্রিট' প্রোটোকল কঠোরভাবে প্রয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, পরীক্ষা করে সংক্রামিতদের চিহ্নিত করা, তারা কাদের সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদের খুঁজে বের করা এবং রোগীদের সুস্থ করে তোলা। এছাড়া, কর্মক্ষেত্র এবং জনাকীর্ণ অঞ্চলে কোভিড মহামারীকালীন যথাযথ আচরণ, অর্থাৎ মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সাবান-জল বা অ্যালকোহল-যুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করার মতো বিধিগুলি কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে বলা হয়েছে। লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত জরিমানা আরোপসহ অন্যান্য প্রশাসনিক পদক্ষেপও নেওয়া যেতে পারে।

এর সঙ্গে নতুন সংযোজন সকলকে কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য উৎসাহিতও করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে নতুন নির্দেশিকায় রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছে। মোট কোভিড পরীক্ষার অন্তত ৭০ শতাংশ আরটি-পিসিআর পরীক্ষা হতে হবে। আর পরীক্ষার ফলে যাঁরা কোভিড ইতিবাচক বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের খুব শিগগির পৃথক করতে হবে এবং সময়মতো চিকিত্সা দিতে হবে।

তবে, আন্তঃরাজ্য এবং আন্তঃরাষ্ট্র ব্যক্তি ও পণ্য পরিবহনের উপর কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে না বলেই নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এমনকী এর জন্য আলাদা করে কোনও অনুমতি বা  অনুমোদন বা ই-পারমিটের প্রয়োজন হবে না।