শুক্রবারে দেশের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভিডিও বার্তায় মাত্র রবিবার ৯ মিনিট সময় চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছিলেন করোনা সংকটকে পরাস্ত করতেই বদ্ধপরিকর গোটা দেশ। এই অবস্থায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গোটা দেশই ২১ দিনের লকডাউন পালন করছে। করোনার বিরুদ্ধে ভারতে ঐক্যবদ্ধ লড়াই আর তেজকে প্রকোট করতেই এই রবিবার রাত নটায় মাত্র ৯মিনিটের ঘরের আলো বন্ধ করে বাইরে বা বারান্দায় দাঁড়িয়ে মোমের আলো জ্বালতে আবেদন জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি তিনি বলেছিলেন প্রয়োজনে মোবাইলফোনের টর্চ বা যে কোনও আলোও জ্বালাতে পারেন নাগররিকরা। 

আজ রবিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে সেই কথাই আবার স্মরণ করিয়েদেন দেশবাসীকে। তিনি হ্যাসট্যাগ দিয়ে লেখেন ৯পিএম৯মিনিট। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর এই ট্যুইট যথেষ্টই সাড়া পায়। নিমেশের মধ্যেই লাইক পড়তে থাকে। অনেকেই আবার রিট্যুইটও করেন। 

 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গত ২৫ মার্চ থেকে টানা ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তার আগে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়াদিয়েই গোটা দেশ ২২ মার্চ জনতা  কারফিউ পালন করেছিল। সেই দিনও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ময়দানে থাকা চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও জরুরী পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রতি আনুগত্য জানাতে গোটা দেশ প্রধানমন্ত্রী আবেদন অনুযায়ী হাত তালি দিয়েছিল অথবা থালা ঘণ্টা বাজিয়েছিল। ঠিক তার ১৫ দিন পরে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জন্য রাত নটায় মাত্র ৯ মিনিট সময় চেয়েনিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ অসাধ্য সাধন করল করোনাভাইরাস আর লকডাউন, মাত্র ১০ দিনে বদলে গেছে গঙ্গার চেহারা

আরও পড়ুনঃ ৯ মিনিট শুধু বাড়ির আলোই বন্ধ রাখুন, রাস্তার আলোসহ বিপদ এড়াতে জ্বেলে রাখুন বাকি সবকিছু

আরও পড়ুনঃ কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি ঘিরে গুলি বোমার লড়াই, রণক্ষেত্র পাড়ুইয়ে মৃত ১

নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য, করোনা সংকটকে পরাজিত করতে হবে আমাদের। প্রকাশের তেজকে ছড়িয়ে দিতে হবে। রবিবার গোটা দেশবাসী মিলিতে হয়ে করোনার অন্ধকারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে হবে। তিনি আরও বলেছিলেন রবিবার রাত নটার সময় মাত্র ৯ মিটিনের জন্য ঘরের বৈদ্যুতিন আলো নিভিয়ে ফেলে মোমবাতি বা টর্চের আলো জ্বালতে হবে। তৈরি করতে হবে তেজের বলয়।   লকডাউন চলাকালীন কোনও ভারতবাসী নিজেকে যেন একা মনে না করেন। লকডাউনে দেশের মানুষ আইনশৃঙ্খলা মেনে চলছে বলেও স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।