টিকা নীতি নিয়ে বুধবার কেন্দ্রকে একহাত নিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালত এদিন সরকারকে বলেছে, কোভাক্সিন, কোভিশিল্ড, এবং স্পুটনিক ভি-সহ আজ পর্যন্ত কেনা সমস্ত কোভিড-১৯ টিকা সম্পর্কিত বিশদ তথ্য আদালতকে দিতে হবে। সেইসঙ্গে আদালত, সরকার কীভাবে এবং কখন দেশের বাকি জনসংখ্যা টিকা দেবে বলে ভাবছে, কী তাদের পরিকল্পনা তাও জানতে চেয়েছে। পাশাপাশি মিউকরমাইকোসিস বা কালো ছত্রাক সংক্রমণের জন্য ওষুধের উপলব্ধতা নিশ্চিত করতে সরকার কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তাও জানাতে হবে আদালতকে।

শীর্ষ আদালত কেন্দ্রের কাছ থেকে মূলত তিনটে বিষয় জানতে চেয়েছে - (ক) তিনটি টিকার ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় সরকার কবে বরাত দিয়েছিল, (খ) কোন তারিখে কত পরিমাণ ভ্যাকসিনের বরাত দেওয়া হয়েছিল, এবং (গ) সরবরাহের প্রত্যাশিত তারিখ কী কী? এই বিষয়ে হলফনামার জমা দেওয়ার সময়, সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথি এবং ফাইলগুলিও জমা দিতে হবে।

কোভিড-১৯ মোকাবিলার দেশের বেহাল অবস্থা দেখে, এই বিষয়ে যাবতীয় প্রশাসনিক সমস্যা সমাধানের জন্য, সর্বোচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। গত ৩১ মে তারিখেই বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড়, বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও এবং এস রবীন্দ্র ভাটের বেঞ্চ, গ্রামীণ ও শহুরে ভারতের মধ্যে ডিজিটাল বিভাজনের দিকটি তুলে ধরে, কোভিড টিকার জন্য কোউইন অ্যাপে  নাম নিবন্ধকরণ বাধ্যতামূলক করা নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করেছিলেন।

ভ্যাকসিন সংগ্রহের নীতি এবং একই টিকার দামের হেরফেরের বিষয়েও কেন্দ্রকে তুলোধোনা করেছিল শীর্ষ আদালত। সারাদেশে যাতে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনগুলি একই দামে পাওয়া যায়, কেন্দ্রকে তা নিশ্চিত করার এবং টিকাকরণের নীতিতে নমনীয় হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।