Viksit Bharat 2047: 'বিকশিত ভারত'-এর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ কান্ডালা বন্দরের! তৈরি হচ্ছে দেশের প্রথম ই-মিথানল প্ল্যান্ট
বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যে ফের শপথ কান্ডালা বন্দরের
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার 'সেবা সংকল্প প্রস্তাব' থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দীনদয়াল পোর্ট অথরিটি (ডিপিএ) কান্ডালা সোমবার 'বিকশিত ভারত ২০৪৭'-এর লক্ষ্যে তাদের অটুট প্রতিশ্রুতির কথা আবার জানাল। ডিপিএ-র চেয়ারম্যান সুশীল কুমার সিং, ডেপুটি চেয়ারম্যান নীলাভ্র দাশগুপ্ত এবং অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরা এই প্রস্তাবটি পাঠ করেন। চেয়ারম্যান সুশীল কুমার সিং এই প্রস্তাবের মূল ভাবনার উপর জোর দেন এবং সমস্ত আধিকারিকদের এটি মেনে চলার নির্দেশ দেন, যাতে দেশের বৃহত্তর লক্ষ্য পূরণে সবাই সঠিকভাবে অবদান রাখতে পারে।
এক বিবৃতিতে ডিপিএ জানিয়েছে, "সেবা সংকল্প প্রস্তাবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারতের সামুদ্রিক ক্ষেত্রের উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব শক্তিতে বিশ্ব হাব হিসেবে ওঠার লক্ষ্যে আমরা দায়বদ্ধ।"
কান্ডালা বন্দরে তৈরি হচ্ছে দেশের প্রথম ই-মিথানল প্ল্যান্ট
এদিকে, দীনদয়াল পোর্ট অথরিটি, কান্ডালা, অসম পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেড (এপিএল)-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের প্রথম ১৫০ টিপিডি (টন প্রতি দিন) ক্ষমতার ই-মিথানল প্ল্যান্টের কাজ শুরু করতে চলেছে।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি ডিপিএ কান্ডালা এবং এপিএল-এর আধিকারিকরা প্রকল্পের জায়গা ঘুরে দেখেন। এই দলে ছিলেন ডিপিএ কান্ডালার চেয়ারম্যান সুশীল কুমার সিং এবং অসম পেট্রোকেমিক্যালসের চেয়ারম্যান বিকুল ডেকা। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং নেট-জিরো লক্ষ্যের প্রতি ডিপিএ-র দায়বদ্ধতার কথাই আবার স্পষ্ট হল। এপিএল-ডিপিএ-র এই পার্টনারশিপ একটি প্রধান বন্দরে ভারতের প্রথম ১৫০ টিপিডি ই-মিথানল তৈরির দিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
অসমে চুক্তি স্বাক্ষর
এই বছরের জানুয়ারিতে অসমের ডিব্রুগড়ে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে একটি মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। গুজরাটের কান্ডালা বন্দরে এই অত্যাধুনিক ই-মিথানল প্রকল্পটি তৈরির জন্য অসম পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেড (এপিএল) এবং দীনদয়াল পোর্ট অথরিটির মধ্যে এই চুক্তি হয়। সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
এই উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী শর্মা বলেন, এই উদ্যোগটি অসমের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পটি প্রমাণ করে যে অসম এখন রাজ্যের ভৌগোলিক সীমানার বাইরেও জাতীয় স্তরের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অংশ নিচ্ছে। তাঁর কথায়, এই মউ ভারতের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগত লক্ষ্য পূরণে অসমের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার ক্ষমতাকেই তুলে ধরে। (এএনআই)
