করোনা আক্রান্তের পরিবারেও ছড়াল সংক্রমণ ভাই ও ছেলের শরীরে মিলল জীবাণু আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা হুগলির শেওড়াফুলির ঘটনা  

আশঙ্কা ছিলই। হুগলির শেওড়াফুলিতে করোনা আক্রান্তের ভাই ও ছেলের শরীরের এবার সংক্রমণ ধরা পড়ল। দু'জনকেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার সকালে হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান অনেকেই। তাঁদের আপাতত বাড়িতে আলাদা থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: এবার করোনায় মৃত্য়ু বেলঘড়িয়ার বাসিন্দার, রাজ্যে সংখ্যা বেড়ে ৬

বাড়ি হুগলির শেওড়াফুলিতে, চাকরি করেন দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি সংস্থায়। শ্রীরামপুর স্টেশন থেকে নিয়মিত কর্মস্থলে যাতায়াত করতেন বছর ৫৯-র এক প্রৌঢ়। জানা গিয়েছে, ১৬ মার্চ আচমকাই জ্বর আসে তাঁর। সঙ্গে শ্বাসকষ্ট ও সর্দির উপসর্গও ছিল। স্থানীয় এক চিকিৎসকের ওষুধে কিছু সেরেও ওঠেন। তবে জ্বর নিয়েই টানা বেশ কয়েকদিন দুর্গাপুরে অফিসেও যান ওই প্রৌঢ়। দিন চারেক পর যখন ফের আসে তাঁর, তখন আর ঝুঁকি নেননি পরিবারের লোকেরা। ওই প্রৌঢ়কে ভর্তি করা হয় সল্টেলেকের এক বেসরকারি হাসপাতালে। উপসর্গ সন্দেহ হওয়ার রোগীর লালারস পরীক্ষার জন্য নাইসেডে পাঠান চিকিৎসকরা। শনিবার জানা যায়, ওই প্রৌঢ় করানোয় আক্রান্ত। 

আরও পড়ুন: বাদ সাধল করোনা আতঙ্ক, মুর্শিদাবাদে বাতিল একাধিক বিয়ের অনুষ্ঠান

আরও পড়ুন: রাস্তার মোড়ে মোড়ে করোনার ছবি এঁকে অভিনব প্রচার পুলিশ

এদিকে এই ঘটনার পর আক্রান্তের পরিবারের লোক, কয়েকজন প্রতিবেশী, এমনকী পরিচারিকার বাড়ির লোককে ভর্তি করা হয় শ্রীরামপুরের ওয়ালস হাসপাতালে। সকলেই রাখা হয় আইসোলেশন ওয়ার্ডে। ওই প্রৌঢ়ের ভাই ও ছেলের করোনা ধরা পড়েছে। জানা গিয়েছে, শেওড়াফুলির বাসিন্দা আরও ১৪ জনের লালারস পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল কলকাতায়। তাঁদের মধ্যে আরও দু'জনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে আগেই। করোনা আক্রান্তের প্রৌঢ়ের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে স্বাস্থ্য দপ্তর।