খাস কলকাতার বহু জায়গায় যখন লকডাউন সফল করতে পুলিশ নামাতে হয়েছে, তখন করোনা আতঙ্কে বাঁকুড়ায় একটি গ্রামে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন স্থানীয় বাসিন্দারাই। রাতারাতি গ্রামের সীমানায় বসল ব্যারিকেড, ঝুলিয়ে দেওয়া হল পোষ্টারও।

আরও পড়ুন: মানবিকতার নজির, করোনা মোকাবিলায় সরকারকে আর্থিক সাহায্য রায়গঞ্জের ব্যবসায়ীর

বাঁকুড়ায় সিমলাপাল ব্লকে প্রত্যন্ত গ্রাম পুকুরিয়া। হাজার দুয়েক মানুষের বাস এই গ্রামে। সরকারি নির্দেশ মেনে পুকুরিয়াকে করোনা হাত বাঁচাতে উদ্যোগ নিয়েছেন গ্রামবাসীরাই। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে স্থানীয় ষোলাআনা কমিটির সদস্যরা রীতিমতো ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা করেছেন, ভিনরাজ্যে কর্মরত যুবক যদি ফিরতে চান, তাহলে আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। এমনকী, গ্রামের ফেরার পর ওই যুবকদের ১৫ দিনে বাড়িতে আলাদা থাকতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নজর রাখছে, যাতে কেউ নির্দিষ্ট সময়ের আগে বাইরে বেরিয়ে পড়েন! সোমবার বিকেলে আবার করোনা প্রতিরোধে রাজ্যে লকডাউন ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই বাঁকুড়া পুকুরিয়া গ্রামের প্রবেশপথে ব্যরিকেড বসেছে। আপাতত কয়েকদিন আর কেউ গ্রামে প্রবেশ করতে পারবেন না, গ্রামের বাইরে যেতে পারবেন না স্থানীয় বাসিন্দারাও। 

আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় ৫০ লক্ষ খরচের প্রস্তাব, একাই জেলাশাসকের দপ্তরে হাজির বিজেপি সাংসদ


 
দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ রাজ্যেও করোনা ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন এক ব্যক্তি। হাসপাতালে ভর্তি বেশ কয়েকজন। সংক্রমণ ঠেকাতে সতর্ক হওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। তেমনটাই মত চিকিৎসকদের।  রাস্তায় মাস্ক পরে বেরনো ও বারবার হাত ধোয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। এড়িয়ে চলতে বলা হচ্ছে জমায়েতও। এই পরিস্থিতিতে এ রাজ্যে তো বটেই, আগামী তিন সপ্তাহ গোটা দেশে লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।