রাজ্য জুড়ে করোনার থাবা। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর রেখাচিত্রটাও ঊর্ধ্বমুখী। সংক্রমণের আশঙ্কায় বন্ধ রয়েছে স্কুলগুল। এই অবস্থায় পড়াশুনা চলবে কীভাবে? একমাত্র বিকল্প পথ অনলাইনে পড়াশুনা করা। কিন্তু সব পরিবারের টাকা আছে কি? ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার জন্য কি করবেন তাঁরা? ভেবে কুল পাচ্ছেন পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের প্রত্যন্ত গ্রামগুলি। যদিও বা কেউ কেউ সাধ্য়মতো চেষ্টা করে মোবাইল কিনছেন। কিন্তু ইন্টারনেটের খরচ জোগাবেন কী করে?

অযোধ্যা পাহাড়ের কোলের বাসিন্দা জবা শিকারি, জানকি শিকারি। তাঁরা জানান, ''আমরা কোনও রকমে ছেলেমেয়ের পড়াশুনা চালায়,কিন্তু খেটে খাওয়া সংসারে মোবাইল কিনব কোথা থেকে? অনলাইনে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে চাই, কোথায় পাব টাকা? 

অন্যদিকে, পাহাড়ের কোলের ওই গ্রামে কেউ কেউ সাধ্য মতো চেষ্টা করে মোবাইল কিনেছেন, কিন্তু ইন্টারনেটের খরচ না জোগাতে পেরে অনলাইনে ক্লাস করতে পারছে না পড়ুয়ারা।

এবিষয়ে বাগমুণ্ডির বিধায়ক নেপাল মাহাতো বলেন, ''করোনা ভাইরাস হু হু করে বাড়ছে, এখন স্কুল খোলা মানেই বিপদ, এই পরিস্থিতিতে অনলাইন ক্লাস করা ছাড়া কোনও বিকল্প নেই''। জেলা স্কুল পরিদর্শক, পীযূষকান্তি বেরা জানান, '' সরকারিভাবে অনলাইন ক্লাস করার নির্দেশিকা এখনও আসেনি, তবে নবম ও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য বাংলার শিক্ষা দূরাভাষ এখানকার কল সেন্টারে ফোন করলে সাহায্য পাচ্ছে পড়ুয়ারা। সেখানে ফোন করে প্রশ্নত্তোর পর্বের ব্যবস্থা করা হয়েছে, এক্টিভিটি টাস্কও নেওয়া হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে''