গোটা বিশ্বে নেমে এসেছে ঘোর বিপদ, নাম করোনাভাইরাস। উন্নত দেশ, গরীব দেশ কাউকে ছাড়চে না। আর বিশ্বব্যপী এই যুদ্ধে একেবারে সামনের সারিতে আছেন ডাক্তার ও চিকিৎসাকর্মীরা। কিন্তু, তাঁরাও অনেকেই আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। তাই, ঘাটতি দেখা দিচ্ছে চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদেরও। প্রথম বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যেরকম প্রায় সব পেশার লোককেই যোদ্ধা হিসাবে কাজ করতে হয়েছিল, প্রায় সেই কথা স্মরণ করিয়েই এবার ডাক্তারদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই লড়াইয়ে নামতে চলেছেন আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকর।

তাই বলে হঠাৎ ইচ্ছে হলেই তো আর কেউ ডাক্তার হতে পারেন না। আইরিশ প্রধানমন্ত্রী কিন্তু রাজনীতিতে আসার আগে ডাক্তারিটাই করতেন। সেই দেশের একটি হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জেনারেল ফিজিশিয়ান হিসাবেও কাজ করেছেন। ২০১৩ সালে তিনি প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তাঁকে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভার সামলাতে হয়েছিল। সেই থেকে পেশাদার চিকিৎসক হিসাবে কাজ করা হয়নি। আর এখন তো গোটা দেশের দায়িত্বই তাঁর কাঁধে।

এখন অবশ্য পরিস্থিতি অন্যরকম। এখন গোটা বিশ্বেই স্বাস্থ্য পরিষেবাটাই মুখ্য কাজ। প্রাক্তন স্বাস্থ্যকর্মীদেরও ফের সামংয়িকভাবে হলেও পুরোনো পেশায় ফেরার জন্য নাম নথিভুক্ত করার আবেদন করেছে আইরিশ স্বাস্থ্য পরিষেবা নির্বাহী। আর এই অবস্থায় ভারাদকর-ও ফের একবার গলায় স্টেথো তুলে নিতে চলেছেন। চিকিৎসক হিসাবে তিনি নিজের নাম ফের নিবন্ধিত করেছেন বলে জানা গিয়েছে। আইরিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি, ভারাদকর তাঁর যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত সাপ্তাহিক শিফটে কাজ করবেন এবং বাকি সময় ফোন রোগীদের উদ্বেগ দূর করা ও তাদের মূল্যায়নে সহায়তা করবেন।

করোনাভাইরাস আসলে সরকারের চক্রান্ত, বিস্ফোরক পোস্ট করে শ্রীঘরে গেল যুবক

 

পলাতক মহিলার দেওয়া ঠিকানাও ভুয়ো, করোনা-জেহাদির ভয়ে সন্ত্রস্ত গোটা শহর

করোনা নিয়ে কেমন কাজ করছে বিজেপি, ৫ পয়েন্টের মার্কশিট তৈরি করে দিলেন মোদী

৪১ বছর বয়সী ভারাদকরের রক্তেই চিকিৎসা পরিষেবা রয়েছে। তাঁর মা ডাবলিনের একটি হাসপাতালে নার্সের কাজ করতেন। সেই হাসপাতালেই তাঁর মায়ের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল তাঁর বাবার, যিনি ছিলেন একজন ভারতীয় ডাক্তার। কাজেই ভারাদকর-এর সঙ্গে ভারতেরও নিবিড় যোগ রয়েছে। আয়ারল্যান্ডের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তারা জানিয়েছেন, চিকিৎসারত ডাক্তারদের মধ্যে ভারাদকর-এর অনেক বন্ধুবান্ধব এমনকী আত্মীয়রাও আছেন।

আয়ারল্যান্ডে এই মুহূর্তে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৯৯৪ আর রবিবারই আরও ২১ জনের মৃত্যুতে কোভিড-১৯ রোগজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে, ১৫৮ জনের।