রবিবারও আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৬০। কিন্তু সোমবার একলাফে তা পৌঁছে গেছে ৪১৫তে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এদিন বিকেল পর্যন্ত দেশে করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। যারমধ্যে রয়েছে কলকাতার এক বাসিন্দা। আক্রান্ত ৪১৫ জনের চিকিৎসা চলছে। এদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এখনও যারা করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন তাঁদের মধ্য মাত্র ২৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন। 

 

করোনা সংক্রমণ রুখতে প্রায় সবকটি রাজ্যই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পথেই হেঁটেছে। এখনও পর্যন্ত দেশের ১৯টি রাজ্য ও ৬টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল প্রায় লকডাউনের পথেই হেঁটেছে। যেসব জায়গায় এখনও পর্যন্ত কপৃরোনার প্রকোপ কম সেখানেও শুরু হয়েগেছে সচেতনতা। 

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অবস মেডিক্যাল রিসার্চের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, আরও ১২টি পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করার কাজ শুরু হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও জানান হয়েছে পুনেতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেডিক্যাল কিট ও মাস্ক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বেশ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কথাও বলা হয়েছে। 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গ, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, কেরলসহ একাধিক রাজ্যই লকডাউনের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। উত্তর প্রদেশের ১৭টি জেলায় লকডাউন চালু হয়ে গেছে। লকডাউনের পথে  উত্তরাখণ্ডও।  পর্যটকদের রাজ্য ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের থেকে বেরিয়া যাওয়া আক্রান্তদের সতর্ক করেছে বেঙ্গালুরু প্রশাসন। ইতিমধ্যেই প্রথম থেকে নবম শ্রেণির সমস্ত পরীক্ষা বাতিল করেছে গুজরাট সরকার। পুলিশ ও জরুরী পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ছাড়া বাকিদের ঘরে থাকতেই নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লিতে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। এই অবস্থায় করোনা সংক্রমণ রুখতে ভারতে কুড়ি শতাংশই লকডাউনের পথে।  আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল আন্তর্জাকিত বিমান পরিষেবা। এদিন ঘোষণা করা হয়েছে মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বন্ধ হয়ে যাবে সমস্ত অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবাই। করোনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন দক্ষিণী অভিনেতা কমল হাসান। পাশাপাশি দেশের জনগণকে আরও সচেতনতা অবলম্বন করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।