আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধন বা এনপিআর ও ২০২১ সালের আদম শুমারির কাজ। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে একথা জানান হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে প্রধানমন্ত্রী গোটা দেশেই ২১ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছেন।এই অবস্থায় কাজ করা সম্ভব নয় জানিয়েই আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে এনপিআর ও আদমশুমারির কাজ। পয়লা এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই দুটির কাজ করার কথা ছিল। 

 

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে জানান হয়েছে দুটি পর্যায়ের হওয়ার কথা ২০২১ সালের আদমসুমারী। গৃহতালিতকা ও গৃহশুমারি হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে। আর জনগণনার কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল আগামী বছর ৯ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। কিন্তু আদমশুমারির প্রথম পর্যায়ের কাজ পিছিয়ে যাওয়ায় আপাতত স্থগিত এনপিআর। কারণ আদমশুমারির প্রথম পর্যায়ের সঙ্গেই যুক্ত ছিল এনপিআরের জন্য তথ্য সংগ্রহ। 

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় নরমে গরমে পঞ্জাব পুলিশ, আইনমনান্যকারীদের শাস্তি, বাড়ি বাড়ি রসদ

আরও পড়ুনঃ করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে কাজ করবেনা, ইস্তফা চিকিৎসক দম্পতির, অবিলম্বে কাজে না ফিরলে শাস্তি হতে পারে

আরও পড়ুনঃ লকডাউনে ভরসা দুটো পা, ৮০ কিলোমাটির পথ হেঁটেই ঘরে ফিরতে হচ্ছে উত্তর প্রদেশের শ্রমিকদের

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে জানান হয়েছে, করোনাভাইসারের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে গোটা দেশ জুড়ে। তাই কেন্দ্র, রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিতে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। লকডাউন জারি হওয়ায় গোটা দেশের জনজীবন আজ স্তব্ধ। এই পরিস্থিতিতে করোনার সংক্রমণ মোকাবিলায় প্রথম গুরুত্বদেওয়া উচিৎ বলেই জানান হয়েছিল। 

গতসপ্তাহেই উল্টো ছবি ছিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছিল, ২০২১ সালের আদম শুমারি ও এনপিআর-এর তথ্য সংগ্রহের কাজ নির্ধাতির সময় শুরু হবে। দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দই হবে সেই মহড়ার প্রথম ব্যক্তি। 

এনপিআর নিয়ে প্রথম থেকে পশ্চিমবঙ্গ, কেরলসহ বেশ কয়েকটি রাজ্য আপত্তি জানিয়েছিল। কিন্তু নিজের অবস্থানে অনড় ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।