রবিবার বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সপ্তম মোকাবিলাতেও ভারত জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ডার্কওয়ার্থ-লুইস সাহেবের অঙ্ক মেনে জয় এসেছে ৮৯ রানে। আর এই বড় জয়ের কিছুক্ষণ পরেই দেশের নয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী তথা বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে লিখলেন 'পাকিস্তানের উপর আরও এক স্ট্রাইক'।

প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনগুলিতে বরাবরই ভারত-পাকিস্তান দুই দলের ক্রিকেটাররাই বোঝানোর চেষ্টা করে থাকেন, এটা আরও একটি ম্যাচ। কিন্তু এই ম্য়াচ যে আলাদা তা বোঝা যায় ম্য়াচের পর দেশ জুড়ে আতশবাজি পুড়িয়ে, মুখ মিস্টি করে জয় উদযাপনের উদ্দীপনা। টের পাওয়া যায় অমিত শাহদের মতো রাজনীতির কারবারিদের হাল্কা করে রাজনীতিতে ক্রিকেট-তাস খেলার প্রচেষ্টায়।

কীরকম? অমিত শাহ বলেছেন 'আরও এক স্ট্রাইক'। অর্থাৎ না উল্লেখ করেও সকলকে মনে করিয়ে দিয়েছেন এর আগে সেনার সার্জিকাল স্ট্রাইক ও বা.য়ুসেনার এয়ারস্ট্রাইকের কথা। যুদ্ধক্ষেত্র-ক্রিকেটের ২২ গজ, মোদী-বিরাট-সেনা - সব যেন ব্লেন্ডারে ঘুরিয়ে দিলেন।  

শুধু তো অমিত শাহ নন, মমতা বন্দোপাধ্যায় থেকে শুরু করে আপ দল, কংগ্রেস সকলেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্রিকেট ম্য়াচে জের পরক ভারতীয় দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিশ্বকাপে এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও বড় জয় পেয়েছে ভারত। সেই সময় রাজনৈতিক মহল থেকে শুভেচ্ছা এসেছিল বলে জানা নেই। কাজেই বিরাটরা যতই বলুন, ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ মানে, রাজনীতি, কুটনীতি, আবেগ, উন্মাদনা মিলেমিশে এক অদ্ভুত ক্রিকেট অভিজ্ঞতা।