সবাইকে বোকা বানিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কার বোলাররা। প্রথমে ব্য়াট করে আবিষ্কা ফার্নান্দো (৪৯), কুশল মেন্ডিস (৪৬) ও অ্যাঞ্জেলো ম্যথুস (৮৫)-রা মাত্র ২৩২/৯ রান তুলতে পেরেছিল। যে ইংরেজ দল আগের ম্যাচেই প্রায় ৪০০ রান তুলেছিল তারা এই রানটা সহজেই তুলে দেবে, এরকমই ধরে নিয়েছিলেন সকলে। কিন্তু প্রথমে মালিঙ্গা (৪৩-৪) ও পরে ধনঞ্জয় ডিসিলভা (৩২-৩)-সহ গোটা শ্রীলঙ্কা দলের শৃঙ্খলিত বোলিং-এর সামনে মাত্র ২১২ রানেই গুটিয়ে গেল ইংরেজ ইনিংস। বেন স্টোকস-এর অপরাজিত ৮২ রান জলেই গেল। শ্রীলঙ্কা ৩ ওভার বাকি থাকতেই ২০ রানে ম্যাচ জিতে নিয়ে লিগ টেবিলে একলাফে পাঁচ নম্বরে উঠে এল। বোলিং বিভাগকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ম্যাচের সেরা হলেন লাসিথ মালিঙ্গা।

সবাইকে বোকা বানিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কার বোলাররা। প্রথমে ব্যাট করে আবিষ্কা ফার্নান্দো (৪৯), কুশল মেন্ডিস (৪৬) ও অ্যাঞ্জেলো ম্যথুস (৮৫)-রা মাত্র ২৩২/৯ রান তুলতে পেরেছিল। যে ইংরেজ দল আগের ম্যাচেই প্রায় ৪০০ রান তুলেছিল তারা এই রানটা সহজেই তুলে দেবে, এরকমই ধরে নিয়েছিলেন সকলে। কিন্তু প্রথমে মালিঙ্গা (৪৩-৪) ও পরে ধনঞ্জয় ডিসিলভা (৩২-৩)-সহ গোটা শ্রীলঙ্কা দলের শৃঙ্খলিত বোলিং-এর সামনে মাত্র ২১২ রানেই গুটিয়ে গেল ইংরেজ ইনিংস। বেন স্টোকস-এর অপরাজিত ৮২ রান জলেই গেল। শ্রীলঙ্কা ৩ ওভার বাকি থাকতেই ২০ রানে ম্যাচ জিতে নিয়ে লিগ টেবিলে একলাফে পাঁচ নম্বরে উঠে এল। বোলিং বিভাগকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ম্যাচের সেরা হলেন লাসিথ মালিঙ্গা।

এই বিশ্বকাপে দারুণ বড় বড় রানের খেলা হবে বলে মনে করা হচ্ছিল। এদিন দুই ইনিংস মিলিয়ে উঠল মাত্র ৪৪৪ রান। কিন্তু এই ম্য়াচটিকেই এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সেরা ম্য়াচ বলা যেতে পারে।

যদিও প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার ব্য়াটিং বেশ হতাশ করেছিল। তার মধ্য়েও ব্য়তিক্রম ছিলেন এদিনই বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া ২১ বছরের তরুণ আবিষ্কা ফার্নান্দো। জয়সূর্য-সাঙ্গাকারাদের ব্য়াটিং পরম্পা বয়ে নিয়ে যাওয়ার যথেষ্ঠ প্রতিশ্রুতি দেখালেন এই তরুণ। ৩৯ বলে ৪৯ রানের ইনিংস খেললেন। কিন্তু তিনি ফিরতেই প্রায় খোলসে ঢুকে গেল শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্য়ানরা। তারমধ্যেও একদিক ধরে রেখে খেলে ফর্মে ফিরলেন ম্যাথুস। মূলত তাঁর জন্যই এদিন বিশ্বকাপে প্রথমবার ৫০ ওভার ব্য়াট করল শ্রীলঙ্কা। তবে রানটা বেশ কমই উঠেছিল।
 

কিন্তু বল করতে নেমে একেবারে প্রথম ওভারেই বেয়ারস্টো (০)-কে ফিরিয়ে দিয়ে ধাক্কা দিয়েছিলেন অভিজ্ঞ মালিঙ্গা। আর তাতেই বোধহয় দ্বীপরাষ্ট্রের বাকি বোলারদের আত্মবিশ্বাসটা কয়েক কদম বেড়ে গিয়েছিল। এদিন ইংরেজ ব্যাটসম্য়ানদের কোনও জায়গাই দিলেন না তাঁরা। আর লক্ষ্যটা কম থাকাতেই বোধহয় ইংরেজ ব্য়াটাররা কিছুটা গুটিয়ে ছিলেন।

 জেমস ভিন্স (১৪)-ও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ফের আঘাত হানেন সেই মালিঙ্গা। তারপর যদিও বেশ শৃঙ্খলিত ব্য়াটিং করছিলেন অধিনায়ক অইন মর্গান (২১) ও জো রুট (৫৭)। তখনও পর্যন্ত হাসতে হাসতেই ম্যাচ জিতবে বলে ভেবেছিল ইংরেজরা। বেশ ধীর গতিতেই এগোচ্ছিল। ১৯তম ওভারে উদানার বলে মর্গান ফিরে গেলেও রুট ও স্টোকস ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

ফের খেলাটা পাল্টে দেন মালিঙ্গাই। ৩১ ও ৩৩তম ওভারে পর পর ফিরিয়ে দেন রুট ও বাটলার (১০)-কে। আর ১৪৪ রানে ৫ উইকেট পড়ে যেতেই ভয়ঙ্কর চাপে পড়ে গেলেন ইংরেজরা। পাকিস্তানে পর ফের এই ম্যাচে তাদের চাপের মুখে ভেঙে পড়তে দেখা গেল।


যার ফায়দা তুললেন ধনঞ্জয় ডিসিলভা। ৩৯তম ওভারে মইন আলি (১৬)-কে, আর তারপর ৪১তম ওভারে ৩ বলের মধ্যে ওকস (২), ও রশিদ (১)-কে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে খাদের মুখে ঠেলে দেন মুরলিধরণের দেশের অলরাউন্ডার। সেই সময় ইংল্য়ান্ডের দরকার ছিল ৫৪ বলে ৫৫ রান।

এখান থেকে বেন স্টোকস একার হাতে একটা চেষ্টা করেছিলেন। ৪৬তম ওভারে দুটি ছক্কা মেরে ১৫ রান নিয়ে ও পরের ওভারের তিন বলে ২টি চার মেরে ইংরেজদের আশা জাগিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছিল।