আর মাত্র সপ্তাহ দুয়েক বাকি। তারপরই ইংল্যান্ড ও ওয়েলস-এ শুরু হয়ে যাচ্ছে আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯। তার আগে লন্ডনের বিভিন্ন পাব-বার থেকে কলকাতার চায়ের দোকান সব জায়গাতেই ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে একটাই আলোচনা চলছে - কে জিতবে এইবারের বিশ্বকাপ? বিশেষজ্ঞরা সবচেয়ে এগিয়ে রাখছেন আয়োজক ইংল্যান্ড ও ভারতকে। এছাড়া বিশ্বকাপের ঠিক আগেই শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে উঠে এসেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াও।

গত বিশ্বকাপ, অর্থাত বিশ্বকাপ ২০১৫ থেকে গত চার বছরের জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানেও কিন্তু, বাকি আট দলের থেকে অনেকটাই এগিয়ে আছে ইয়ন মর্গান ও বিরাট কোহলির দল।  ২০১৫ বিশ্বকাপের পর থেকে গত চার বছরে দুই দলই ৮৬টি করে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে। অদ্ভুতভাবে দুটি দলই জিতেছেও ৫৬টি করেই। তবে জয়-পরাজয়ের অনুপাতে সামান্য হলেও এগিয়ে আছে ইংল্যান্ডই। গত চার বছরে ভারত ২৭টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। আয়োজক দেশের হারা ম্যাচের সংখ্যা ৪টি কম। এর ফলে ইংল্যান্ডের জয়-পরাজয়ের অনুপাত ২.৪৩৪ এবং ভারতের ২.০৭৪।

বিশ্বকাপ ২০১৯: ২০১৫ সাল থেকে জয়-পরাজয়ের অনুপাত

দল        ম্যাচ    জয়    পরাজয়    জ/প অনুপাত
ইংল্যান্ড         ৮৬ ৫৬ ২৩ ২.৪৩৪
ভারত          ৮৬ ৫৬ ২৭ ২.০৭৪
দক্ষিণ আফ্রিকা     ৭৪ ৪৭ ২৭ ১.৮০৭
নিউজিল্যান্ড     ৭৬ ৪৩ ৩০ ১.৪৩৩
আফগানিস্তান         ৬১ ৩৩ ২৪ ১.৩৭৫
বাংলাদেশ         ৬১ ৩২ ২৫ ১.২৮
অস্ট্রেলিয়া         ৭৬ ৩৭  ৩৬ ১.০২৭
পাকিস্তান         ৭৮ ৩৫  ৪০ ০.৮৭৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজ     ৬৬ ১৯ ৪১ ০.৪৬০
শ্রীলঙ্কা         ৮৪ ২৩  ৫৫ ০.৪১৮

 

উপরের তালিকা দেখলেই বোঝা যাচ্ছে বাকি কোনও দলই ইংল্যান্ড ও ভারতের ধারে কাছেও নেই। অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান তো পড়ে রয়েছে একেবারে আফগানিস্তান বাংলাদেশেরও নিচে। তবে চার বছর পর বিশ্বকাপ আসতেই ফের একবার গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বোলিং-এর পাশাপাশি, খোয়াজা-ফিঞ্চ-মার্শরা ব্য়াটেও শেষ দুই সিরিজে দারুণ পারফর্ম করেছেন। আইপিএল-এ তো ধুন্ধুমার ব্য়াটিং করেছেন  এক বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দলে ফেরা ডেভিড ওয়ার্নার। নির্বাসনে থাকা আরেক ক্রিকেটার স্টিভ স্মিথও অনুশীলন ম্যাচে রানে ফিরেছেন। ফলে গত চার বছরের হতশ্রী পরিসংখ্য়ানের পরও ফের একবার বিশ্বকাপের দাবিদার হিসেবে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া।