আইপিএল ২০১৯ শুরুর আগেই ফিটনেস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। বিশ্বকাপের ঠিক আগে আইপিএল খেলতে গিয়ে ভারতের বিশ্বকাপ দলের সদস্যরা চোট পেয়ে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। বিশেষ করে জোরে বোলারদের নিয়ে উদ্বেগ ছিল ক্রিকেট মহলে। জোরে বোলাররা এখনও কেউ চোট না পেলেও লিগ পর্বের একেবারে শেষ দিনে টিম ম্যানেজমেন্টের উদ্বেগ বাড়ালেন অলরাউন্ডার কেদার যাদব।

রবিবার বিকেলে কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে একিটি ওভারথ্রো আটকাতে গিয়ে কাঁধে গুরুতর চোট পান কেদার। ১৪তম ওভারে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। আর কেলতে পারেননি। সোমবার তাঁর কাঁধের এক্সরে এবং স্ক্যান করা হবে। তাঁর আইপিএল দল সিএসকে-এর কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কেদারের পক্ষে আইপিএল-এ আর খেলা সম্ভব নয়। এক্সরে এবং স্ক্যান করার পরই তাঁর চোট কতটা গুরুতর তা জানা যাবে।

বর্তমানে ভারতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ কেদার। এমনিতেই ভারতীয় দলের মিডল অর্ডারের ধারাবাহিকতার অভাব নিয়ে চিন্তা রয়েছে। কেদার যাদব ইনিংসের মাঝামাঝি নেমে গত এক-দেড় বছরে বহুবারই নির্ভরতা দিয়েছেন দলকে। সেই সঙ্গে সীমিত ক্ষমতা নিয়ে শুধুমাত্র লেন্থের অদল বদল করে অনিয়মিত স্পিনার হিসেবেও তিনি যথেষ্ট সফল। এই অবস্থায় তিনি শেষ পর্যন্ত খেলতে না পারলে ভারতীয় দলকে নতুন করে পরিকল্পনা সাজাতে হবে।

কেদারের কেরিয়ারে অবশ্য চোট-আঘাতের লম্বা ইতিহাস রয়েছে। গত আইপিএল-এও একেবারে শুরুতেই হ্যামস্ট্রিং-এর চোটের কারণে গোটা টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন তিনি। চোট সারিয়ে এশিয়া কাপে ভারতীয় দলে ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু ফাইনালে আবার একই জায়গায় চোট পান। খুঁড়িয়ে খুঢ়িয়েই দলকে এশিয়া কাপ জিতিয়ে ফের দলের বাইরে চলে গিয়েছিলেন। তিনি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলতে না পারলে ঋষভ পন্থ বা আম্বাতি রায়ডুকে তাঁর জায়গায় দলে নেওয়া হতে পারে।

কেদার ছাড়া ১৫ জনের ভারতীয় দলে রবীন্দ্র জাদেজা, হার্দিক পাণ্ডিয়া ও বিজয় শঙ্কর রয়েছেন অলরাউন্ডার হিসেবে। আগামী ৫ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তারশ আগে ২৫ ও ২৮ মে তারিখে নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুটি অনুশীলন ম্য়াচ খেলবে।