অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ১৭৮ রান। ফেভারিট ভারতকে প্রবল চাপে ফেলে ৪৭.২ ওভারে অল আউট করে দিল বাংলাদেশের ছোটরা। ফাইনালে স্নায়ুর চারপ নিতে না পেরেই হয়তো বাংলাদেশের বোলিং এবং আগ্রাসী ফিল্ডিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ল ভারতীয় ব্যাটিং। তার মধ্যেও ফাইনালে দুরন্ত ব্যাটিং করলেন ভারতীয় পেনার যশস্বী জয়সওয়াল। ফাইনালেও ৮৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। কিন্তু তিনি ফিরতেই ভারতের শেষ পাঁচ উইকেট পড়ে যায় মাত্র ২১ রানে। 

ভারতের ছোটরা এ দিন এতটাই স্নায়ুর চাপে ছিল যে গুরুত্বপপূর্ণ সময়ে দু'টি রান আউটে উইকেট হারায় তারা। তবে এ দিন যেন ইতিহাস সৃষ্টি করতেই মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। বোলিং এবং ফিল্ডিং, দুই বিভাগেই অপ্রতিরোধ্য লেগেছে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের। 

বাংলাদেশের হয়ে এ দিন শরিফুল ৩১ রানে ২টি উইকেট নেন। তিনটি উইকেট নেন অভিষেক দাস। সাকিবও নেন দু'টি উইকেট। তিন পেসারের সামনে কখনওই খোলস ছেড়ে বেরোতে পারেনি ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। যশস্বী ছাড়া ভারতের হয়ে ৩৮ রান করেন তিলক ভার্মা। ২২ রান করেন ধ্রুব জুরেল। এই তিনজন ছাড়া আর কোনও ভারতীয় ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি। 

বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের কাজটা অনেকটা সহজ করে দিয়েছে তাদের বোলাররা। পদ্মাপাড়ের ক্রিকেটাররা শেষ পর্যন্ত ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার। 

তবে এই বিশ্বকাপে ভারতীয় বোলাররাও দারুণ ছন্দে রয়েছে। ফলে কার্তিক ত্যাগি, রবি বিষ্ণোইদের সামলে লক্ষ্যে পৌঁছনো একেবারেই সহজ হবে না বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সামনে। বাংলাদেশের সামনে যেমন বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস সৃষ্টির সুযোগ রয়েছে, সেরকমই বাংলাদেশকে ১৭৭-এর আগে রুখে দিতে পারলে ভারতও পর পর দু' বার অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতে পাকিস্তানের তৈরি করা নজির ছুঁতে পারবে।