দীর্ঘদিন ধরে ঠেকিয়ে রেখে অবশেষে ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি বা নাডার আওতায় এল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। অর্থাৎ এইবার থেকে সময়ে অসময়ে সব স্তরের ভারতীয় ক্রিকেটারদের ডোপ পরীক্ষা করবে জাতীয় সংস্থাই। সম্প্রতি ডোপ টেস্টে ইতিবাচক ফল আসায় ছয় মাসের জন্য নির্বাসিত হতে হয়েছে প্রতিশ্রুতিমান তরুণ প্রতিভা পৃথ্বী শ। সম্ভবত তার পরের বিতর্কেই গোঁ ছাড়তে বাধ্য হল বিসিসিআই।

বহু বছর ধরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড নাডার আওতাধীন হতে রাজি হয়নি। আপত্তির মূল কারণ হিসেবে বলা হতো নাডার অপারদর্শিতার কথা। বোর্ডের অ্যান্টি ডোপিং ম্যানেজার অভিজিত সালভি এও বলেছিলেন ভারতীয় বোর্ড সরকারি সাহায্য নেয় না। তাই নাডার আওতায় আসতে বাধ্য নয় ভারতীয় ক্রিকেট।

তবে, পৃথ্বীর ঘটনার পর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া দফতরের সচিব আরএস ঝুলানিয়া বলেছিলেন, 'বিসিসিআই-এর না বলার এক্তিয়ারই নেই। সবাইকে এক নিয়ম মানতে হবে'। তারপরই নাডার আওতায় আসার কথা ঘোষণা করল বিসিসিআই।
 
পৃথ্বী শ-কে ভারতীয় ক্রিকেটের পরবর্তী ব্য়াটিং সুপারস্টার হিসেবে দেখা হয়। তিনি টেস্ট কেরিয়ার শুরুও করেছেন সেই প্রত্য়াশাকে যোগ্য সম্মান দিয়েই। এই রকম এক ক্রিকেটার কেরিয়ারের শুরুতেই ডোপ টেস্টে ধরা পড়ায় ভারতীয় ক্রিকেট মহল বিস্মিত হয়েছিল। কাফ সিরাপ খেতে গিয়ে ভুল করে নিষিদ্ধ যৌগ খেয়ে ফেলেন তিনি। তাতেই আরও কড়া হাতে এই দিকটি দেখা উচিত বলে মত এসেছিল।