টি টোয়েন্টি সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল ভারত। এবার অবশ্য কোহলিদের সামনেই নিউজিল্যান্ড-এর কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার আশঙ্কা। অকল্যান্ড-এ দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচেও নিউজিল্যান্ড-এর কাছে ২২ রানে হারল ভারত। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজ-এ আপাতত ২-০ পিছিয়ে টিম ইন্ডিয়া। কোহলিদের হারিয়ে একদিনের সিরিজ জিতে টি টোয়েন্টি সিরিজ-এ লজ্জার হারের বদলাও নিয়ে নিলেন রস টেলর, টিম সাউদিরা। 

এ দিন প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭৩ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। ওপেনার মার্টিন গাপ্টিল করেন ৭৯। রস টেলর-এর ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৭৩ রানের ইনিংস। এ দিন কুলদীপ যাদবের বদলে যুজবেন্দ্র চহাল-কে প্রথম একাদশে রাখা হয়েছিল। শামির জায়গায় খেলানো হয় নবদীপ সাইনিকে। ভারতের  হয়ে তিন উইকেট তুলে নেন চহাল। ২ উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর। 

বোলাররা নিজেদের কাজটা মোটামুটি ঠিকঠাক করলেও এ দিন ভারতীয় ব্যাটিং সমর্থকদের হতাশ করল। শিখর ধাওয়ান সিরিজ শুরুর আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন। টি টোয়েন্টি সিরিজ-এর শেষ ম্যাচে চোট পেয়ে ছিটকে যান রোহিতও। দুরন্ত ফর্মে থাকা দুই ওপেনারের অভাবই  এ দিন আরও বেশি করে প্রকট হয়ে গেল। প্রথম ম্যাচে পৃথ্বী শ- ময়াঙ্ক আগরওয়াল জুটি প্রথম ম্যাচে ৫০ রানের পার্টনারশিপ গড়লেও এ দিন দু' জনেই ব্যর্থ। মাত্র ১৫ রান করে ফেরেন অধিনায়ক বিরাট কোহলিও।  ফলে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় ভারত। যে ধাক্কা আর কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। শ্রেয়স আইয়ার- কে এল রাহুলদের পক্ষে। 

ফর্মে থাকা শ্রেয়স অবশ্য প্রথম ম্যাচে শতরানের পর এ দিনও ৫২ রানের ইনিংস খেলে একটা মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু রান পাননি কে এল রাহুল। ছ' নম্বরে নেমে আবারও ব্যর্থ কেদার যাদব। তাঁর দলে থাকা নিয়ে অনেক প্রশ্নই উঠছে। কারণ ফর্মে থাকা মনীশ শর্মাকে বসিয়ে স্পিনার অলরাউন্ডার কেদারকে খেলানো হচ্ছে। অথচ এ দিনও কেদারকে দিয়ে এক ওভারও বোলিং করানো হয়নি। শেষ দিকে রবীন্দ্র জাদেজা এবং নবদীপ সাইনির জুটিতে জয়ের আশা উজ্জ্বল হয়েছিল টিম ইন্ডিয়ার সামনে। ৪৫ রান করে সাইনি ফিরতেই অবশ্য ভারতের আশা কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত জাদেজা (৫৫) আউট হতেই ৪৮.৩ ওভারে ২৫১ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত।