টি-২০ ক্রিকেটের যুগে ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছিল টেস্ট ক্রিকেটের উন্মাদনা। দর্শকরাও টি২০ ক্রিকেটের অনবরত চার-ছক্কার মজাই বেশি উপভোগ করছিলেন। মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেলেন ৫ দিনের ক্রিকেট থেকে। পৃথিবীর খুব কম মাঠেই টেস্ট ম্যাচে ভরছিল স্টেডিয়াম। তারপরই আসরে নামে আইসিসি। টেস্ট ক্রিকেটের মহিমা ফেরাত ফেরাতে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা শুরু করেছিল আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। যেখানে প্রতিটি দলের টেস্ট সিরিজিজের পয়েন্টে বিচারে শেষ দুই দল অংশ নেবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে। 

আরও পড়ুনঃ১৪ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার,তার বোলিংয়ে মুগ্ধ সচিনও, এখন লোকের বাড়ি বাড়ি এসি সারান রে প্রাইস

আইসিসির এই উদ্যোগের পর আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছিল টেস্ট ক্রিকেটের রোমাঞ্চ। কোনও সিরিজকেই আর হালকাভাবে নিচ্ছিল না কোনও দল। ফের মাঠমুখী হচ্ছিলেন দর্শকরাও। কিন্তু আইসিসির যাবতীয় পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছে করোনা ভাইরাস মহামারী। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল  ২০২১ সালে। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণে অনেক দেশেরই টেস্ট সিরিজ বাতিল হচ্ছে। ফলে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে। বাতিল হওয়া দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজের নতুন ক্রীড়াসূচি তৈরি হওয়ার পরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি। সোমবার এমন কথাই জানিয়েছেন, সংস্থার ক্রিকেট অপারেশন সংক্রান্ত প্রধান আধিকারিক জেফ অ্যালার্ডাইস।

আরও পড়ুনঃএবছর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পালিত হবে মোহনবাগান দিবস, দিনভর অনলাইনে থাকছে নানা অনুষ্ঠান

আরও পড়ুনঃআইএসএল-এর আগে নয়া চমক, হাওড়ায় তৈরি হচ্ছে 'মোহনবাগান তাঁবু'

জেফ অ্যালার্ডাইস বলেছেন,'বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের কারণে যে সিরিজগুলো বাতিল হয়েছে, সেগুলোর পরিবর্তিত সূচি কী ভাবে তৈরি করা যায়, তা নিয়ে সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে আমাদের। ত এই দেশগুলির বাতিল হওয়া সফরের পুনরায় ক্রীড়াসূচি বানিয়ে ফেলতে হবে। তবে এটা তৈরি করবে সদস্য দেশগুলোই। আইসিসি নয়। দেখতে হবে, কতগুলো দেশের জন্য নতুন ক্রীড়াসূচি তৈরি করা যায়।' আগামী বছর জুনে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল হওয়ার কথা। তার আগে এত কম সময়ে এতগুলি টেস্ট কীভাবে করানো সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন তপলেছেন ক্রিকেটে বিশেষজ্ঞরা। ফলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।