এ দিনই দিল্লিতে মুকুল রায়, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়রা দাবি করেছেন, আগামী মাস থেকেই বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার জন্য তৃণমূল বিধায়কদের লাইন লেগে যাবে বিজেপি অফিসে। 

দিল্লি থেকে যখন মুকুল রায়রা এই হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, তখন ফের বোমা ফাটালেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংহ। তাঁর দাবি, খুব শিগগিরই বিজেপি-তে যোগ দিতে চলেছেন খাদ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূলের উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। খাদ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অর্জুন বলেন, "ফাইলের ভয়েই বালুদা (জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক) বিজেপি-তে যোগ দেবেন। খুব শিগগিরই জানতে পারবেন।"

এ দিনই উত্তর চব্বিশ পরগনায় দলের কোর কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। মূল উদ্দেশ্যে ছিল জেলার দু'টি হাতছাড়া হওয়া কেন্দ্র বনগাঁ এবং ব্যারাকপুরের জন্য রণকৌশল ঠিক করা। এ ছাড়াও হালিশহর, কাঁচরাপাড়া, নৈহাটি, ভাটপাড়ার মতো ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের যে পুরসভাগুলি কার্যত বিজেপি দখল করে নিয়েছে, সেগুলি কী ভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়েই দলের মধ্যে আলোচনা করা। প্রসঙ্গত উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়ায় নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেই প্রায় কুড়ি হাজার ভোটে পিছিয়ে পড়েছেন জ্যোতিপ্রিয়। এই অবস্থায় তিনি বিজেপি-তে যোগ দিচ্ছেন বলে অর্জুনের দাবিতে স্বভাবতই অস্বস্তিতে পড়েছেন খাদ্যমন্ত্রী।

অর্জুনের দাবির জবাব দিতে গিয়ে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, "কে কী বলছেন সেই কথার আমি উত্তর দেব না। ভবিষ্যতে দেখা যাবে। কী ফাইল আছে না আছে, পরে দেখা যাবে। আমাদের কাছেও ফাইল আছে, আমরাও সেগুলি বের করব।"