সবে এক ঘণ্টা হয়েছে ভোটগ্রহণ। পরিবারের বাকি সদস্যদের মতোই সকাল সকাল ভোট দিয়ে এলেন তিনি। বেরিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তোপ দাগলেন।

তিনি প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢড়া। ভোট দিয়ে বেরিয়েই বলে দিলেই, একটা কথা পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে মোদী সরকার এবার আর থাকছে না।

কৌতূহলী সাংবাদিকরা স্বাভাবিক ভাবেই জানতে চাইলেন কী কারণে এমন বলছেন তিনি। প্রিয়ঙ্কার স্পষ্ট জবাব কারণ মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছে। 

এদিন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বলেন," মানুষের মনে ক্ষোভ জমেছে। নরেন্দ্র মোদী আসল বিষয়গুলি এড়িয়ে গিয়ে অবান্তর বিষয়ে কথা বলে চলেছেন। ক্রুদ্ধ মানুষ এর জবাব ভোটবাক্সেই দেব। আমি নিজেও ভোট দিয়েছি এ কথা মাথায় রেখেই।"

প্রসঙ্গত এবার নির্বাচনে লড়ছেন না প্রিয়ঙ্কা। তবে কংগ্রেসের হয়ে  সর্বাত্মক প্রচার চালাচ্ছেন।  উত্তরপ্রদেশের পূর্বাঞ্চলের দায়িত্ব তার কাঁধেই। সেখানেও ভাল ফলের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।  উত্তরপ্রদেশে আজ ভাগ্যের পরীক্ষা দিচ্ছেন অখিলেশ যাদব। সে কথা মনে করিয়ে দিতেই বললেন, পরিবর্তন শুরু হবে উত্তরপ্রদেশ থেকেই। 

প্রসঙ্গত গত শুক্রবারই উত্তরপ্রদেশের টিউমার আক্রান্ত একটি আড়াই বছরের শিশুকে প্রাইভেট জেটে উড়িয়ে এনে উড়িয়ে এনে  দিল্লির এইমসে ভর্তি করে মানবিকতার নজির গড়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা। সারা দেশে সাংবাদিকদের নজর কেড়েছিল সেই খবর। ৪৮ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই আবার শিরোনামে এলেন ভবিষ্যদ্বানী করে। তার কথা কতটা ফলবে, সময় বলবে