দেশ জুড়ে চতুর্থ দফার ভোট শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ ২৯ এপ্রিল দেশের মোট ৯ টি রাজ্য়ের ৭১ টি আসনে চলছে ভোট প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গের কাছেও এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ। 

মোট আটটি আসন- আসানসোল, বর্ধমান পূর্ব, বহরমপুর, বীরভুম, বোলপুর, বর্ধমান-দুর্গাপুর, কৃষ্ণনগর ও  রাণাঘাটের মানুষ আজ লোকসভা নির্বাচনে রায় দেবেন। 

ভোট প্রক্রিয়া ঘিরে ইতিমধ্য়েই আসানসোল রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। আসানসোল কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র হয়ে দাঁড়িয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্য়ে বচসার খবর পেলে ঘটনাস্থলে যান বাবুল। সেখানে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর হয়। পুলিশকর্মীরা তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যানন। অন্য়দিকে এক তৃণমূল কর্মীরও মাথা ফাটে। এছাড়াও আসানসোলের একাধিক বুথে ছাপ্পা ভোটেরও অভিযোগ ওঠে। এদের মধ্য়ে আসানসোলের জেমুয়ার ভাদুবাল়লায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়। এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে দাঁড়িয়েছেন মুনমুন সেন। তাই এই কেন্দ্র যে এবারের নির্বাচনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা বলাই যায়।

বীরভুমের একাধিক বুথে ইভিএম মেশিন খারাপ হওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। সেই নিয়ে বিভিন্ন বুথে বচসা হয়। এই কেন্দ্র থেকে তৃণনমূলের হয়ে দাঁড়িয়েছেন শতাব্দী রায়। বিজেপির থেকে দুধকুমার মণ্ডল, বামফ্রন্ট থেকে রেজাউল করিম  এবং কংগ্রেস থেকে ইমাম হোসেইন প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। এঁদের মধ্য়ে বিজেপির দুধকুমার মণ্ডল বুথের মধ্য়েই ফোনে কথা বলে নিয়ম ভেঙেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

বর্ধমান পূর্বের কেতুগ্রামের খাজি হাইস্কুল বুথেও ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়েও এলাকায় কোন্দল হয়। এই কেন্দ্রে বিজেপি থেকে পরেশ চন্দ্র দাস, তৃণমূল থেকে সুনীল কুমার মণ্ডল ও বামফ্রন্ট থেকে ঈশ্বরচন্দ্র দাস প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। 

বোলপুর থেকে থেকে বামফ্রন্ট থেকে রামচন্দ্র ডোম, তৃণমূল থেকে অসিত মাল, কংগ্রেস থেকে অভিজিত সাহা এবং বিজেপি থেকে রামপ্রসাদ দাস প্রার্থী হয়েছেন। 

সকাল ন’টা পর্যন্ত রাজ্য়ের আট কেন্দ্রে ১৬.৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। বহরমপুরে ১৮.১ শতাংশ, বর্ধমান পূর্বে ১৮.২৪ শতাংশ, আসানসোলে ১৭.৫৩ শতাংশ, বোলপুরে ১৭.৩৯ শতাংশ, বীরভুমে ১৩.৬১ শতাংশ, রাণাঘাটে ১৬.৯৪ শতাংশ, কৃষ্ণমগরে ১৭.২৭ শতাংশ, বর্ধমান-দুর্গাপুরে ১৬.১২ শতাংশ ভোট পড়েছে।