আগুন ছড়াচ্ছে সূর্য। আর তাঁকে উপেক্ষা করেই কথার ফুলকি ছড়াচ্ছেন রাজনৈতিক দলগুলি। আরও গুছিয়ে বললে মোদী-মমতা। ভোট নিয়ে শুরু হওয়া  বাকযুদ্ধ যেন থামছেই না। শিয়রে সংক্রান্তি জেনেই মরিয়া লড়াই করছে যুযুধান দুই পক্ষ। মোদী বৃহস্পতিবার গণতন্ত্রের থাপ্পড় প্রসঙ্গের জবাব দিলেন। তার পরেই ফিরে এল পাল্টা বল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘড়্গপুর থেকে ফেরালেন বাকুড়ায় মোদীর মারা ব্যাক হ্যান্ড।

এদিন বাঁকুড়া়র জনসভা থেকে মোদী বলেন, আমি তাঁকে দিদি বলে ডাকি, দিদির থাপ্পড় আমার কাছে আশির্বাদ। এসব অপমান হজম করার ক্ষমত আমার মধ্যে তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত ৬ মে  এক জনসভায় মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছিলেন নরেন্দ্র মোদীর প্রাপ্য গণতন্ত্রের থাপ্পড়।

এদিন মোদীর ভাষণের কিছুক্ষণের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাওয়া গেল রণং দেহী মেজাজে। খড়্গপুরে মানস ভুইয়ার সমর্থনে সভা করতে এসে তিনি বলেন, আমি  কেন কাউকে থাপ্পড় মারব। আমি বলেছি গণতন্ত্রের থাপ্পড়ের কথা। অর্থাৎ মোদী ভোটে হারবেন। সেটাই হবে গণতন্ত্রের থাপ্পড়।

বলাই বাহুল্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেদিনে মন্তব্যে সরগরম হয়েছিল জাতীয় রাজনীতি। মমতার সমালোচনা করে টুইট করেন সুষমা স্বরাজ। অন্য দিকে মমতার পক্ষ নেওয়ারও লোকের অভাব ছিল না।

এদিন খড়্গপুরের জনসভায় মমতার জনসভায় মমতার সঙ্গে ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। কিছুক্ষণ আগেই মমতার দলের লোকজনকে কোল মাফিয়া বলেছেন নরেন্দ্র মোদী। রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মমতা এদিনের জনসভা থেকে বলেন, একজন প্রার্থীও কোল মাফিয়া এ কথা  প্রমাণ করতে পারলে ৪২টি আসনেরই প্রার্থী তুলে নেবেন তিনি।


দেখে নেওয়া যাক আর কি কি বললেন মমতা-

আজ নোট বাতিল করছে কাল সংবিধান বাতিল করবে।

আপনি দেশের প্রধানমন্ত্রী , মেপেজুকে কথা বলুন

আগে বলতেনৱ চাওযালা, কোনো দিন চা বিক্রি করেননি। 

মোদীবাবু   হারাতঙ্কে ভুগছেন। 

নোটবাতিল করে গরীব মানুষের টাকা লুটেছেন এখন সেই টাকাই ব্যবহার হচ্ছে।