মৃত নেতার নাম কাজল মণ্ডল বাঁকুড়ার শালতোড়ার ঘটনা তিনি তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান ছিলেন

জঙ্গলমহলে এবার একটিও আসন পেতে ব্যর্থ তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভা নির্বাচনের পরে স্বভাবতই জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতেও কোণঠাসা শাসক দলের কর্মীরা। এর মধ্যেই বিজেপি-র হামলায় বাঁকুড়ার শালতোড়ায় এক তৃণমূল নেতার প্রাণহানির অভিযোগ উঠল। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নিহত ওই তৃণমূল নেতার নাম কাজল মণ্ডল। তিনি তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান ছিলেন। এলাকায় যথেষ্ট দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। 

এবার বাঁকুড়ার দু'টি লোকসভা কেন্দ্রেই হারতে হয়েছে তৃণমূলকে। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে কাজল মণ্ডলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় কয়েকজন ব্যক্তি। এর কিছুক্ষণ পরেই বাড়ির কাছে একটি রাস্তায় তাঁকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁর সারা শরীরেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর আঘাত ছিল বলে অভিযোগ। আহত ওই তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকালে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনার জড়িত থাকার সন্দেহে দুই বিজেপি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই জেলায় জেলায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা অব্যাহত। কোথাও অভিযুক্ত তৃণমূল, কোথাও আবার হামলার অভিযোগ বিজেপি-র বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগে একইভাবে চাকদহে এক বিজেপি সমর্থককে খুনের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা, যেভাবে রাজ্যে বিজেপি-তৃণমূল দ্বৈরথ বাড়ছে, তাতে এই রাজনৈতিক হিংসা বন্ধের সম্ভাবনা কম।

বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ অবশ্য নির্বাচনের সময় দাবি করেছিলেন, এ রাজ্যে ভোটে ভাল ফল করলে বা ক্ষমতায় এলেও প্রতিহিংসার রাজনীতি করবেন না তাঁরা। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে শক্তি বৃদ্ধির পরেই রাজনৈতিক আক্রমণ চালানোর অভিযোগ উঠছে গেরুয়া বাহিনীর বিরুদ্ধেও। এতদিন যে অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে তুলতেন বিজেপি নেতারা।