অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিয়ে করলেন রশ্মিকা মন্দানা এবং বিজয় দেবরকোন্ডা। অভিনেতা বিজয় সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেন এবং তাঁদের বিয়ের মেনুতে কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গনার জনপ্রিয় খাবারের আয়োজন ছিল।

দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে চার হাত এক হল রশ্মিকা মন্দানা এবং বিজয় দেবরকোন্ডার। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সম্পন্ন হয় বিয়ের নিয়ম। সন্ধ্যায় সমাজমাধ্যমে বিয়ের মধুর ছবি পোস্ট করেন দুজনেই। তবে সবার নজর কাড়ে বিজয়ের লেখা আবেগঘন একটি পোস্ট করেন অভিনেতা। লেখেন,

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

‘একদিন, আমি তাকে মিস করেছি।

এমনভাবে তাকে মিস করেছি যে আমার মনে হয়েছিল যে সে যদি পাশে থাকত তাহলে আমার দিনটি আরও ভালো হত। যেমন সে আমার পাশে বসে থাকলে আমার খাবারগুলো আরও স্বাস্থ্যকর হত। যেমন আমার ওয়ার্কআউটগুলো আরও মজাদার হত এবং সে যদি আমার সাথে সেগুলো করত তবে শান্তি কম হত।

যেমন আমার তাকে দরকার ছিল- কেবল সেই স্বাচ্ছন্দ্য এবং শান্তিপর অনুভূতি অনুভব করার জন্য, আমি যেখানেই থাকি না কেন।

তাই

আমি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু… আমার স্ত্রী। ২৬.০২.২০২৬।'

এদিকে বিজয়-রশ্মিকার গ্রান্ড ওয়েডিং মেনুতেও ছিল চমক। রশ্মিকা যেহেতু কর্ণাটকের মেয়ে সেহেতু মেনুতে থাকছে কর্ণাটকের ডিশও। একই সঙ্গে খাবারের তালিকায় থাকছে কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গনার জনপ্রিয় নানারকম পদ। অতিথিদের জন্য ওয়েলকাম ড্রিংক্স হিসেবে নারকেলের জল। থাকছে হায়দরাবাদি দম বিরিয়ানি, মুরগির মাংসের বিশেষ পদ নাটু কোডি পুলুস, গারেলু বা মেডু বড়া, পাপ্পু যা মূলত দক্ষিণ ভারতীয় স্বাদের এক ধরণের ডাল এবং অবশ্যই কিমা সামোসা। এখানেই শেষ নয়, রশ্মিকা যেহেতু কর্নাটকের মেয়ে তাই কুর্গ অর্থাৎ কোডাগু ছোঁয়ায় কদম্বুটু ও পান্ডি কারি ও শেষ পাতে মাইশোর পাকের মতো মিষ্টি।

এদিকে বিপুল ফ্যানবেস থাকা সত্ত্বেও এই জুটি তাঁদের বিয়েতে গোপনীয়তা বজায় রাখেন। অতিথিদের অনুষ্ঠানের ভেতরের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করতে বারণ করা ছিল সকলকে। পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা, তরুণ ভাস্কর, অভিনেতা ইশা রেব্বা, রাহুল রবীন্দ্রন এবং বিজয়ের ভাই আনন্দ দেবেরাকোন্ডা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও রশ্মিকার পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা ছিলেন। কয়েকজন বড় কর্পোরেট ব্যক্তিত্বও আমন্ত্রিত ছিলেন এদিন।