আর্টিস্টস ফোরাম এবং ফেডারেশনের এক জরুরি বৈঠকে মঙ্গলবার থেকে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্যুটিং সেটে শিল্পী ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতেই এই পদক্ষেপ, এমনটাই জানিয়েছেন ফোরামের জেনারেল সেক্রেটারি শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়।

রবিবার বিকেল পাঁচটার সময় আর্টিস্টস ফোরামের বিভিন্ন শিল্পীদের টেকশিয়ান্স স্টুডিও-তে ডেকে পাঠানো হয়। আর্টিস্ট ফোরামের জরুরি বৈঠকে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে এসেছিলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, রেশমী সেন, ইশা সাহা, দেবলীনা দত্ত, অঞ্জনা বসু, জীতু কামাল-সহ আরও অনেক শিল্পী।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুসারে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে শিল্পী ও টেকনিশিয়ানরা স্টুডিও-তে উপস্তিত থেকে কর্মবিরতি পালন করবেন। এই সময়ের মধ্যে শ্যুটিং সংক্রান্ত নিরাপত্তা বিধি আরও কঠোর করার বিষয় আলোচনা চলবে বলে জানা গিয়েছে।

এদিন ফেডারেশনের সঙ্গে আর্টিস্ট ফোরামের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ফোরামের জেনারেল সেক্রেটারি শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যাঁদের হাতে সুরক্ষা ব্যবস্থা আছে, তাঁরা যতক্ষণ না নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন ততক্ষণ কর্মবিরতি চলবে। আর্টিস্ট ফোরামের চার হাজার সদস্য, ফেডারেশনের সাত হাজার টেকনিশিয়ান এবং সকল কলাকুশলী মিলে এই সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। আমরা যারা শিল্পী তাঁদের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়। শ্যুটিং বেরিয়ে ফিরতে পারব কি না সেটা বুঝতে পারি না। রাহুল আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেল নিজেদের নিরাুত্তার কথা ভাবা উচিত।

এদিকে ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস রবিবার বৈঠক শেষে বলেছেন, আমরা কর্মবিরতির পক্ষ নই। কিন্তু নিজেদের নিরাপত্তার কারণে আমরা বাধ্য হয়েছি। প্রথমেই সুষ্ঠু নিরাপত্তা বিধি দরফার। সেই কারণেই আমরা মঙ্গলবার থেকে এই কর্মবিরতির ডাক দিয়েছি। আর্টিস্ট, টেকনিশিয়ান সকলের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা কাজের মধ্যে নিজেদের উজাড় করে দিতে চাই। কিন্তু নিজেদের বিসর্জন দিতে রাজি নই।