চারজন ফাইনালিস্টকে পেছনে ফেলে এই সম্মান অর্জন করেছেন অরুন্ধতী রায়! কেন পেলেন এই সম্মান? জেনে নিন…

শনিবার লেখিকা অরুন্ধতী রায়ের বই 'মাদার মেরি কামস টু মি' আত্মজীবনী বিভাগে ২০২৫ সালের ন্যাশনাল বুক ক্রিটিকস সার্কেল অ্যাওয়ার্ড (NBCC) জিতে নিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ন্যাশনাল বুক ক্রিটিকস সার্কেল অ্যাওয়ার্ড মোট ছয়টি বিভাগে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত বইয়ের জন্য বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। বিভাগগুলো হলো—ফিকশন, নন-ফিকশন, বায়োগ্রাফি, অটোবায়োগ্রাফি, পোয়েট্রি এবং ক্রিটিসিজম। অরুন্ধতী রায়ের 'মাদার মেরি কামস টু মি' বইটির সঙ্গে পুরস্কারের দৌড়ে ফাইনালিস্ট হিসেবে আরও ছিলেন জেরাল্ডিন ব্রুকসের 'মেমোরিয়াল ডেজ', বেথ মেসির 'পেপার গার্ল', হানিফ কুরেশির 'শ্যাটার্ড' এবং মিরিয়াম টোয়সের 'এ ট্রুস দ্যাট ইজ নট পিস'।

শনিবার অরুন্ধতী রায় এবং তাঁর প্রকাশক স্ক্রিবনার বুকস ইনস্টাগ্রামে এই পুরস্কার জয়ের খবরটি জানায়। স্ক্রিবনার বুকসের পক্ষ থেকে একটি পোস্ট করে লেখা হয়, "মাদার মেরি কামস টু মি আত্মজীবনী বিভাগে ২০২৫ সালের ন্যাশনাল বুক ক্রিটিকস সার্কেল অ্যাওয়ার্ড জিতেছে! অরুন্ধতী রায়কে অভিনন্দন।" অরুন্ধতী রায়ও এই পোস্টটি শেয়ার করেন। 

অরুন্ধতী রায়ের আত্মজীবনী 'মাদার মেরি কামস টু মি'-তে তাঁর মা মেরি রায়ের সঙ্গে জটিল সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়েছে। মেরি রায় ছিলেন একজন দৃঢ়চেতা এবং প্রভাবশালী নারী, যিনি একজন লেখিকা ও নারী হিসেবে অরুন্ধতীর জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিলেন। প্রায় ২০ বছরের ব্যবধানে এটি অরুন্ধতীর দ্বিতীয় উপন্যাস, যদিও এটিই তাঁর প্রথম স্মৃতিকথা। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি মূলত প্রবন্ধ লিখেছেন, যা তাঁকে একদিকে যেমন সম্মান এনে দিয়েছে, তেমনই তীব্র সমালোচনার মুখেও ফেলেছে।

এর আগে অরুন্ধতী রায় তাঁর প্রথম উপন্যাস 'দ্য গড অফ স্মল থিংস'-এর জন্য ১৯৯৭ সালে সম্মানজনক বুকার পুরস্কার জেতেন। তিনি প্রথম ভারতীয় নারী হিসেবে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত ইংরেজি ভাষার সেরা মৌলিক উপন্যাসের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়। (এএনআই)