দীর্ঘদিন ধরেই পরিকল্পনা করে খুন করার চেষ্টা চলছে বলিউডের ভাইজানকে। মুম্বই ও জোধপুর পুলিশের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে তদন্ত। অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন হুমকিপ্রদানকারী সেই ব্যক্তি। যার নাম ধাকড়রাম বিষ্ণোই।

যে কোনও সময়েই খুন হয়ে যেত পারেন সলমন খান। দীর্ঘদিন ধরেই পরিকল্পনা করে খুন করার চেষ্টা চলছে বলিউডের ভাইজানকে। সলমনের বান্দ্রার বাড়ির ওপরও চলছিল নিয়মিত নজরদারি। বারবার প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন বলি অভিনেতা সলমন খান। তবে এবার একটু অন্য কায়দায় বলিউডের ভাইজানকে ইমেলের মাধ্যমে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। কথা না শুনলেই ঝটকা খাবেন, পরিণতি হবে মুসেওয়ালার থেকেও খারাপ। এই ইমেলটি পাওয়ার পর থেকেই নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছে সলমনের। সলমন খানকে নিয়ে জোরদার চিন্তা বাড়ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সলমনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীই শুধু নয়, গোটা ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে মুম্বই পুলিশ প্রশাসন। ফের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে সলমন খানের। মুম্বই ও জোধপুর পুলিশের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে তদন্ত। অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন হুমকিপ্রদানকারী সেই ব্যক্তি। যার নাম ধাকড়রাম বিষ্ণোই। রবিবার ওই যুবককে মুম্বই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, মুম্বই ও জোধপুর পুলিশের উদ্যোগে একটি টিম গঠন করা হয়। জোধপুরের লুনি এলাকার সিয়োগোর ধানি রোহিচা কালানের বাসিন্দা এই যুবক। গ্রেফতারির পরই মুম্বই পাঠানো হয়েছে ধাকড়রাম বিষ্ণোই। এর আগে নিহত গায়ক মুসেওয়ালাকে বার বার হুমকি পাঠাতে থাকেন বছর একুশের যুবক। আপাতত ধাকড়রামের গ্রেফতারির পর কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন সলমন খান। আইপিসি ধারা ৫০৬(২), ১২০ (বি),এবং ৩৪-এর অধীনে দায়ের করা হয়েছে মামলা। শুধু তাই নয় এই মেইলের মধ্যে গ্যাংস্টার বিষ্ণোইয়ের সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারের কথাও উল্লেখ করা আছে। যেখানে কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই বলেছেন, সলমন খানকে হত্যা করাই তার জীবনের অন্যতম লক্ষ্য।

সূত্রের খবর, এবার থেকে সলমনের নিরাপত্তায় দুজন অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ ইনস্পেক্টর এবং ৮-১০ জন পুলিশ কনস্টেবল মোতায়েন থাকবেন। পাশাপাশি সলমন খানের বান্দ্রার বাড়ি গ্যালাক্সির অ্যাপার্টমেন্টের সামনে ফ্যানেদের জমায়েতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মুম্বই পুলিশ। এই হুমকি পাওয়ার পরই সলমন খানের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তার পরিবারের লোকজন। রাতারাতি নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে আপাতত নাকি মুম্বইতে নেই সলমন খান, এছাড়া বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। সামনেই মুক্তি পেতে চলেছে সলমনের ছবি কিসি কি ভাই কিসি কা জান। সেই ছবির প্রচারেরও কথা চলছিল। তবে সূত্র বলছে, আপাতত আর কোথাও দেখা যাবে না ভাইজানকে। এমনকী জনসাধারণের মধ্যে কোনও অনুষ্ঠানেও যাওয়া পুরোপুরি নিষেধ ভাইজানের। ঘটনার ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই শোনা যাচ্ছে, মুম্বই ছেড়েছেন সলমন খান। তবে কবে ফিরবেন, তা জানা নেই। আপাতত জনসমক্ষে না বেরানোর জন্যই বলা হয়েছে সলমন খানকে।