সইফ আলি খানের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন করিশ্মা তন্না। তিনি আবাসনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং নিরাপত্তারক্ষীদের প্রশিক্ষণের উপর জোর দিয়েছেন।

আতঙ্কে বলিউড। বুধবার গভীর রাতে সইফের বাড়িতে চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, ডাকাতির উদ্দেশ্যে ঢুকেছিল নবাবের বাড়িতে। কিন্তু, পরিচারকদের চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায় সইফের। তিনি বেড়িয়ে আসেন নবাব। হাতাহাতি হয় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে। হাতে, ঘাড়ে, মেরুদণ্ডে ছুরি দিয়ে কোপানো হয়েছে সইফকে। আপাতত তিনি মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি। অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে খবর। অস্ত্রোপচারের পর তিনি আপাতত সুস্থ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ তাঁর প্রতিবেশী। সেই সঙ্গে মুখ খুললেন করিশ্মা তন্না। তিনি জানান, কদিন ধরেই এই এাকায় নিরাপত্তা বৃদ্ধির করার আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। সইফের ঘটনার পর আতঙ্ক বেড়েছে। তিনি বলেন, বাড়ির বাইরের অবস্থা সাংঘাতিক। এখন রাস্তা জুড়ে পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা দাঁড়িয়ে। বান্দ্রার এই ঘটনা এখানকার বাসিন্দাদের চোখ খুলে দিল। আমি গত এক বছর ধরে আবাসনের সকলকে বলছিলাম নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য।

তিনি বলেন, আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীদের আরও ভালো ভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত। এই ধরনের ঘটনায় ওঁদের ওপর ভরসা করা যায় না। কোনও চোর বা ডাকাত যদি বাড়িতে ঢুকে পড়ে এবং তাকে নিরাপত্তারক্ষীরা আটকাতে না পারেন, তা বলে কী করে চলবে। পরিবারের সাধারণ মানুষ এই সব পরিস্থিতি কী ভাবে সামাল দেবে? খুবই ভয়ের পরিস্থিতি।

করিশ্মা তন্না আরও বলেন, ওদের পরিবারের সঙ্গে যা হল মোটেই ঠিক নয়। তবে মানুুষের শিক্ষা হল একটা। আশা করছি আমাদের বহুতলেও নিরাপত্তা আরও জোরদার করে হবে।

মুম্বই পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছেন। দায়িত্বে আছেন এনকাইন্টার বিশেষজ্ঞ দয়া নায়েক। অনুমান করা হচ্ছে, চুরি বা ডাকাতি করতেই সইফের বাড়িতে ঢুকেছিল দুষ্কৃতীরা। পরে পরিস্থিতি জটিল হয়। আপাতত হাসপাতালে ভর্তি সইফ। অস্ত্রোপচারের পর তিনি আপাতত সুস্থ বলে খবর।

এই ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলিউডে। একাধিক তারকা সইফের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তেমনই সকলেই করেছেন প্রতিবাদ করেছেন। অনেক তারকাই সোশ্যাল মিডিয়ায় করেছেন বিশেষ পোস্ট।