চলে গেলেন বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক মনোজ কুমার। মুম্বইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে ৮৭ বছর বয়সে তাঁর জীবনাবসান হয়। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বিনোদন জগত।

ফের খারাপ খবর বিনোদন জগতে। প্রয়াত হলেন বলিউড অভিনেতা তথা পরিচালক মনোজ কুমার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স বয়েছিল ৮৭ বছর। শুক্রবার সকালে মুম্বইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এক সময় ভারতীয় সিনেমাকে সমৃদ্ধ করেছিলেন অভিনেতা তথা পরিচালক মনোজ কুমার। একাধিক দেশাত্মবোধক ছবি বানিয়েছিলেন মনোজ কুমার। এমন ছবি জনপ্রিয়তা দিয়েছিল তাঁকে। পরিচালক হিসেবে সম্মান কুড়িয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও নিজের অভিনয় দিয়ে দর্শকদের মন কেড়েছিলেন মনোজ কুমার। আজ স্তব্দ হল তাঁর জীবনের সমস্ত লড়াই। প্রয়াত হলেন অভিনেতা তথা পরিচালক মনোজ কুমার।

তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সমস্ত বিনোদন জগতে। চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত কুমারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এই ঘটনাটিতে বিরাট ক্ষতি বলে অভিহিত করেন। বলেন, কিংবদন্তি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার বিজয়ী, আমাদের অনুপ্রেরণা এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে সিংহ মনোজ কুমার জি আর নেই। এটি বিনোদন জগতের জন্য বিরাট ক্ষতি এবং সমগ্র বিনোদন জগত তাঁকে মিস করবে। তিনি একটি ভিডিও বিবৃতি দেন।

মনোজ কুমার দেশাত্মবোধক বিষয়বস্তু নিয়ে বেশি কাজ করেছেন। তাঁর কাজের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায় শহীদ (১৯৬৫), উপকার (১৯৬৭), পূর্ব আর পশ্চিম (১৯৭০), রোটি কাপড়া অর মাকান (১৯৭৪)। এই ধরনের সিনেমার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কারণে তাঁরে ভারত কুমার নামে ডাকা হত।

এছাড়াও তিনি হরিয়ালি অর রাস্তা, ও কৌন থি, হিমালয় কি গড মে, দো বদন, পাথর কে সনম, নীল কমল এবং ক্রান্তির মতো ছবি পরিচালনা করেছেন। তাঁর কাজের জন্য বহুবার সম্মানিত হন। তিনি ১৯৯২ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কার পান। ২০১৫ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি সারা জীবন দর্শকদের কথা চিন্তা করে ভালো ভালো কাজ করে গিয়েছেন। 

শুক্রবার ভোর ৪.০৩ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেতা তথা পরিচালক মনোজ কুমার। তাঁর প্রয়াণ বিনোদন জগতের বিরাট ক্ষতি বলে মত সকলের।